গয়েশ্বররা ধর্মীয় অনুভূতিকে পুঁজি করে অর্থের পাহাড় গড়েছে

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি দিনাজপুর
প্রকাশিত: ০৫:৪৫ পিএম, ০৪ অক্টোবর ২০১৯

জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম বলেছেন, বিএনপি জামায়াতের আমলে সংখ্যালঘুরা ঘর থেকে বের হতে পারতো না। নারীরা সিধুর ও পুরুষরা ধুতি পরতে ভয় পেতেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সংখ্যালঘুদের অগ্রাধিকার দিয়েছে। বিএনপি নেতা গয়েশ্বররা ধর্মীয় অনুভূতিকে পুঁজি করে লুটপাট করে অর্থের পাহাড় গড়েছে। আর খালেদা ও গোলাম আযমরা এ সংখ্যালঘুদের ওপর চালিয়েছে অত্যাচার নির্যাতন।

তিনি বলেন, অসাম্প্রদায়িক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসেই মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ধর্মের ধর্মীয় উৎসব পালনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। আজ ঈদ-পূজাসহ কোনো ধর্মই পালন করতে অসুবিধা হয় না।

তিনি আরও বলেন, যারা মহান মুক্তিযুদ্ধ, ধর্ম নিরপেক্ষতা, স্বাধীনতা মানে না তারা বাংলাদেশকেই মানতে চায় না। তাই তারা এ দেশের মানুষকে এখনও গ্রহণ করতে পারেনি। তিনি সনাতন ধর্মকে গুরুত্ব দিয়ে বলেন, ২০০১ সালের পর সনাতন ধর্মের মানুষ জামায়াত-বিএনপি ও শিবির এবং গয়েশ্বরদের হাতে নির্যাতন হয়েছে বেশি। এদের প্রত্যাখান করে বাংলাদেশকে ধর্ম নিরপেক্ষতা রাষ্ট্রে পরিণত করতে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

Dinajpur-Whip-pic-1

শুক্রবার সদর উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে শারদীয় দুর্গোৎসব’১৯ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে উদযাপনের লক্ষে পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় ও সরকারি অনুদানের (জিআর-চাল) বরাদ্দপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি দিনাজপুর সদর উপজেলার ১৬২টি মন্দিরে ১০ হাজার করে টাকা মোট ১৬ লাখ ২০ হাজার টাকার সরকারি অনুদান (জিআর-চাল) বরাদ্দপত্র বিতরণ করেন।

দিনাজপুর সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো. ফিরুজুল ইসলাম ফিরোজের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইমদাদ সরকার, পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি স্বরুপ বকসী বাচ্চু ও সাধারণ সম্পাদক উত্তম কুমার রায় প্রমুখ।

এমদাদুল হক মিলন/এমএএস/এমকেএইচ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।