সৌদিতে বাংলাদেশি আনোয়ার আলী নিখোঁজ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মানিকগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৫:১৯ পিএম, ০৩ জানুয়ারি ২০২০

সৌদি আরবে আনোয়ার হোসেন নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি তিনদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। গত ৩১ ডিসেম্বর দাম্মাম শহরের আলবাদিয়া এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বের হয়ে তিনি আর ফিরে আসেননি।

আনোয়ার হোসেনের গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার চর আজিমপুর গ্রামে। তার বাবার নাম ফজু শেখ।

ছেলে নিখোঁজ থাকার খবরে আনোয়ার হোসেনের পরিবারের সদস্যরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ আনোয়ার আলী ১৫ বছর আগে কাজের জন্য সৌদি আরবে যান। তিনি দেশটির পূর্ব প্রদেশের রাজধানী দাম্মাম শহরের আলবাদিয়া এলাকার ১২ নম্বর রোডের ২২৬ নম্বর ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন। সেখানে আল-ইব্রাহীম নামে এক সৌদি নাগরিকের তত্ত্বাবধানে বাসা-বাড়ির প্রিন্টিং ও রংয়ের কাজ করতেন। তিন মাস আগে আনোয়ার দেশে ছুটি কাটিয়ে আবার সেখানে গিয়ে কাজে যোগ দেন।

আনোয়ার আলীর বড় ভাই শের আলী জানান, গত ৩১ ডিসেম্বর সৌদি আরবের সময় বেলা ১১টার দিকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির ফোন পেয়ে ভাড়া বাড়ি থেকে বেড় হন আনোয়ার আলী। এরপর সে আর বাসায় ফিরেনি। নিখোঁজের পর থেকে তার ব্যবহৃত মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। সেখানে অবস্থানরত স্বজনরাও কোনো সন্ধান পাচ্ছেন না। কফিল (মালিক) আল-ইব্রাহীমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনিও আনোয়াকে খুঁজে পাচ্ছেন না বলে জানান।

এদিকে সৌদি প্রবাসী আনোয়ার আলীর নিখোঁজের ঘটনায় তার মা-বাবা ও আত্মীয় স্বজনরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। কি করবে বুঝে উঠতে পারছেন না তারা। নিখোঁজ আনোয়ার আলীর সন্ধান পেতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ দূতাবাস ও সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্বজনরা।

সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাহেলা রহমত উল্লাহ জানান, সৌদি প্রবাসী আনোয়ার আলীর নিখোঁজের বিষয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।

জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসার মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, নিখোঁজ আনোয়ার আলীর পাসপোর্ট ও আকামাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পেলে যত দ্রুত সম্ভব তার সন্ধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বি.এম খোরশেদ/এমএএস/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।