বগুড়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে অভিভাবকদের ধর্মঘট

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক বগুড়া
প্রকাশিত: ০৭:২৫ পিএম, ২৯ জানুয়ারি ২০২০

বগুড়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত সেশন ফি আদায়ের প্রতিবাদে টিএমএসএস পাবলিক স্কুল ও কলেজের সামনে অবস্থান ধর্মঘট পালন করেছে অভিভাবকরা।

বুধবার সকালে ধর্মঘট কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মান্নান আকন্দ।

এর আগে মঙ্গলবার বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মান্নান আকন্দ অতিরিক্ত সেশন ফি আদায় বন্ধ না হলে অভিভাবকদের নিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সামনে অবস্থান ধর্মঘট পালনের ঘোষণা দিয়েছিলেন।

২০১৯ সালের ২ জুলাই মান্নান আকন্দের একটি রিটের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে মন্ত্রণালয় প্রণীত নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত ভর্তি ও সেশন ফি আদায়ের নির্দেশ দেন। গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর দেয়া ওই আদেশ কার্যকরের জন্য একই বছরের ২৯ ডিসেম্বর বগুড়া জেলা প্রশাসকের দফতরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

BOGURA-1

এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন জানিয়ে রফিকুল ইসলাম ও জাহেদুর রহমান নামে দুই অভিভাবক ৩০ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে আবেদন করেন। তার প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল আলম শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দেশের সকল জেলায় এ সংক্রান্ত নীতিমালা বাস্তবায়ন পূর্বক একটি প্রতিবেদন দাখিলের অনুরোধ জানিয়ে গত ১৬ জানুয়ারি একটি চিঠি দেন।

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ওই নির্দেশনা পাওয়ার পরেও বগুড়ার সব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত ২ হাজার টাকার অতিরিক্ত সেশন ফি আদায় করছে। এতে অভিভাকেরা হতাশ হয়ে পড়েছেন।

টিএমএসএস পাবলিক স্কুল ও কলেজের ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীর অভিভাবক হেলেনা বেগম জানান, প্রথমে সেশন ফির কথা বলে ২ হাজার, মাসিক বেতনের নামে ৯৫০ ও বাস ভাড়া বাবদ ৭০০ টাকা মিলিয়ে মোট ৩ হাজার ৬৫০ টাকা নিয়েছে। আবার ক্লাসে নোটিশ দিয়ে ৭ হাজার ৪২০ টাকা দিতে হবে বলে জানিয়েছে। আমাদের মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে এটা কখনও সম্ভব না।

এমএএস/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।