নোয়াখালীতে জ্বরে আক্রান্ত যুবকের মৃত্যু করোনায় নয়
নোয়াখালীতে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া যুবকের (২৩) শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যায় বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা অসীম কুমার দাস এ তথ্য জানিয়েছেন।
গত বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাতে বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পাবলিক হলের পাশে আজিজিয়া প্লাজার চতুর্থ তলায় ওই যুবকের মৃত্যু হয়।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই যুবক এক দন্ত চিকিৎসকের চেম্বারে সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। ছয়-সাত দিন আগে থেকে তিনি জ্বরে ভুগছিলেন। দু-তিন দিন আগে তিনি এক মেডিসিন বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হন। ওই চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী চিকিৎসা চলছিল। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার বিকেলে তার অবস্থার অবনতি ঘটে। একাধিকবার তার বমি এবং সঙ্গে রক্ত যেতে থাকে। পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে নোয়াখালীর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে ওই যুবকের মৃত্যুতে করোনাভাইরাস সন্দেহে রাতেই আজিজিয়া প্লাজাসহ আশপাশের আরও দুটি ভবন লকডাউন ঘোষণা করে স্থানীয় প্রশাসন। একই সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ওই ভবনগুলো ঘিরে রাখে।
বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা অসীম কুমার দাস জাগো নিউজকে বলেন, মৃত্যুর পর ওই যুবকের নমুনা ইনস্টিটিউট অব পাবলিক হেলথে পাঠানো হয়। সেখান থেকে সন্ধ্যায় রিপোর্ট আসে তার শরীরে করোনাভাইরাসের আলামত পাওয়া যায়নি। সন্ধ্যায় এ ঘোষণা আসার পরপরই ওই ভবনগুলো থেকে পুলিশ প্রহরা উঠিয়ে নেয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে চৌমুহনী পৌরসভার মেয়র আক্তার হোসেন ফয়সাল বলেন, আল্লাহ আমাদের ওপর রহমত করেছেন। যদি পজেটিভ রিপোর্ট আসত তাহলে আমাদের কী হতো? তিনি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সকলকে সরকারের বিধি-নিষেধ মেনে চলার অনুরোধ করেন।
মিজানুর রহমান/আরএআর/এমকেএইচ