রাঙাবালী-গলাচিপা-কলাপাড়ার অবস্থা ভয়ানক

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী
প্রকাশিত: ১২:০৮ এএম, ২১ মে ২০২০

আগে থেকেই ছিল ভাঙা বাঁধ, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাণ্ডবে নতুন করে বাঁধ ভেঙে তলিয়ে গেছে পটুয়াখালীর বিস্তীর্ণ এলাকা। লোকালয়ে প্রবেশ করেছে পানি। ভেঙে পড়েছে অনেক কাঁচা ঘর, উপড়ে গেছে কত গাছ- তার কোনো হিসাব নেই।

ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তাৎক্ষণিক না পাওয়া গেলেও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. মাহাবুবুর রহমান জানান, রাঙাবালী, গলাচিপা ও কলাপাড়ার অবস্থা খুবই ভয়ানক। বিপৎসীমার ওপরে পানি চলে এসেছে, প্লাবিত হয়েছে প্রচুর ঘরবাড়ি। এছাড়া জেলায় দুজনের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া গেছে

তিনি আরও বলেন, কিছু জায়গায় বাঁধ ভেঙে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির হিসাব এখন দেয়া সম্ভব নয়। সকাল হোক, এরপর তথ্য দেয়া যাবে।

supper-cyclone

তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার দশমিনা, গলাচিপা, রাঙাবালী ও কলাপাড়া এলাকার ৫০টি চর প্লাবিত হয়েছে। দুমকী উপজেলার বাসিন্দা রফিক মজুমদার জানান, দুমকী উপজেলার পাংগাশিয়া ইউনিয়নের রাজগঞ্জ এলাকার ওয়াপদা বেড়িবাঁধের ওপর দিয়ে পায়রা নদীর পানি প্রবল বেগে প্রবেশ করে উত্তর পাংগাশিয়া, দক্ষিণ পাংগাশিয়া, রাজাগঞ্জসহ অন্তত পাঁচ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

অপরদিকে, লেবুখালী ফেরিঘাট এলাকা তলিয়ে গেছে। নির্মাণাধীন লেবুখালী সেতুর দক্ষিণপাড়ের সড়ক প্রায় মৌকরণ ব্রিজ পর্যন্ত পানিতে ডুবে গেছে। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাণ্ডবে দুমকি উপজেলার পাংগাশিয়া কলেজ ভবনের চাল উড়িয়ে নিয়ে গেছে।

pooo-02

সদর উপজেলার বাসিন্দা মো. এনামুল রহমান জানান, শহরের পুরান বাজার, নিউ মার্কেট, সেন্টার পাড়া, ৯নং ওয়ার্ড ও পৌর এলাকার বেশকিছু এলাকায় জোয়ারের পানি প্রবেশ করেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হাসানুজ্জামান জানান, বিপৎসীমার ১৭৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পায়রা, লোহালিয়া, তেতুলিয়া নদীর পানি বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে প্রবেশ করছে।

মহিব্বুল্লাহ্ চৌধুরী/এমএআর/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।