ঈদের পরদিন শিমুলিয়ায় ঘরমুখো মানুষের ঢল
করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ঈদের আগে যারা ঢাকা ছাড়তে পারেননি তাদের অনেকেই ঈদের পরদিন বাড়ি যাচ্ছেন।
ঈদের পরদিন মঙ্গলবার (২৬ মে) মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি ঘাটে ঘরমুুখো মানুষের ভিড় দেখা গেছে। যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে ১০টি ফেরি চলাচল করছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে পারাপারের অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে যাত্রীদের। সেই সঙ্গে পার হচ্ছে ছোট গাড়ি, মোটরসাইকেল ও পণ্যবাহী ট্রাক।
বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী ম্যানেজার প্রফুল্ল চৌহান বলেন, ঈদের আগের দুদিনের চেয়ে মঙ্গলবার শিমুলিয়া ঘাটে যাত্রীদের চাপ বেশি। ফেরি দিয়ে পার হওয়া পণ্যবাহী ট্রাক একেবারেই কম। তবে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলের সংখ্যা বেশি। পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে বাড়ি ফেরার বাধা শিথিল করায় ব্যক্তিগত গাড়িতে বাড়ি যাচ্ছে এসব মানুষ।

তিনি আরও বলেন, চারটি রো-রো ফেরিসহ ১০টি ফেরি দিয়ে যাত্রী পারাপার করেও চাপ কমানো যাচ্ছে না। কিছুটা যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। বিকেল পর্যন্ত চাপ কমে গেছে। আমরা চেষ্টা করছি; যাতে যাত্রীদের দ্রুত পার করে দেয়া যায়।
এই নৌরুটে চার শতাধিক স্পিডবোট ও ৮৭টি লঞ্চ চলাচল করলেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে ২৬ মার্চ থেকে এগুলো বন্ধ। তাই দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার ঘরমুখো মানুষের ভিড় ফেরিতে। দুই পাড় থেকে যাত্রী ও যানবাহন ভর্তি করে ফেরিগুলো গন্তব্যে যাচ্ছে। স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়েই যাত্রীরা পদ্মা পাড়ি দিচ্ছেন।
ভবতোষ চৌধুরী নুপুর/এএম/এমএস