২০ বছর অপেক্ষার পর গ্রামবাসীই নেমে পড়লেন রাস্তা মেরামতে

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি লালমনিরহাট
প্রকাশিত: ০৫:১২ পিএম, ০৭ জুন ২০২০

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান নদী বেষ্টিত ফকিরপাড়া ইউনিয়নের রমনীগঞ্জ ও দালালপাড়া এলাকার দুই গ্রামের সংযোগ সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা স্বেচ্ছাশ্রমে মেরামত করেছে এলাকাবাসী।

এ রাস্তা মেরামতের ফলে প্রায় ২০ বছর পর নদীপাড়ের অসহায় মানুষদের চলাচলের একটি স্থায়ী স্বপ্ন বাস্তবায়িত হলো।

উপজেলার সানিয়াজান বাজারের উত্তর-পূর্ব দিকে স্লুইসগেট থেকে দক্ষিণ দালালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা গত ছয়দিনেই এলাকাবাসী নিজেরাই স্বেচ্ছাশ্রমে মেরামত করেছে।

এতে সানিয়াজান নদী বেষ্টিত প্রায় ৫শ পরিবার চলাচলের একটি রাস্তা তৈরি হলো।সরকারি অনুদান ছাড়াই ওই এলাকার ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্পাদক ও পল্লী চিকিৎসক ফরহাদ হোসেনের প্রচেষ্টায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ উদ্যোগ নিয়েছে এলাকার লোকজন।

ওই এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, গত ২০ বছরে চেয়ারম্যান ও মেম্বারগণ এ এলাকায় শুধু ভোট নিয়ে গেছে আর কোনো দিন আসেননি, তাই এ এলাকার কোনো উন্নয়নও হয়নি।

এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সামছুল হক জাগো নিউজকে বলেন, এলাকার প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা গত বিশ বছরে অনেক অনুরোধের পরও মেরামত করেনি স্থানীয় প্রতিনিধিরা। গত কয়েকদিনে রাস্তা মেরামতের জন্য আমার নিজস্ব দুটি ট্রাক্টর দিয়ে মাটি পরিবহনে সহায়তা করেছি।

ফকিরপাড়া ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্পাদক ও পল্লী চিকিৎসক ফরহাদ হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ২০ বছর কষ্টের পরও কেউ এগিয়ে না আসায় নিজ উদ্যোগে রাস্তা তৈরি করলাম। এখন চলাচলে খুব সুবিধা হবে।

হাতীবান্ধা উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ফেরদৌস আহম্মেদ জাগো নিউজকে বলেন, এলাকাবাসী নিজেরাই স্বেচ্ছায় রাস্তা মেরামত করেছে বিষয়টি শুনেছি। চলতি বছরেই নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে আরও ভালোভাবে রাস্তাটি সম্পন্ন করা হবে।

এ বিষয়ে ফকিরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম জাগো নিউজকে জানান, আমি বিষয়টা জেনেছি, বাকি কাজটুকু ইএসডিও'র স্বপ্ন প্রকল্পের মাধ্যমে রাস্তাটি উঁচু করা হবে।

রবিউল হাসান/এমএএস/এমকেএইচ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।