সেতু আছে, রাস্তা নেই

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মুন্সিগঞ্জ
প্রকাশিত: ১২:২১ এএম, ২২ জুলাই ২০২০

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে একটি সেতু নির্মাণ করা হলেও সড়ক নির্মিত হয়নি। উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের কাঁঠালতলী গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে জৈনসার কাঁঠালতলী খাল। ওই খাল পারাপারের জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের সুবিধার্থে সেতু নির্মাণ করা হলেও সড়ক নির্মাণ করা হয়নি।

সংযোগ সড়কের অভাবে দুই গ্রামের বাসিন্দা ও স্কুল-কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে পানিতে ভিজে খাল পার হয়।

গ্রামবাসী জানান, সেতুটি নির্মাণের খবরে খুশি হয়েছিলেন গ্রামবাসী। তারা ভেবেছিলেন সেতুর সঙ্গে সড়কও নির্মাণ হবে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ হয়নি।

ফলে সড়ক না থাকায় চলাচল করতে অসুবিধা হওয়ায় সেতুটি তাদের কপালে দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। জনস্বার্থে সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়কের মাটির কাজ জরুরি ভিত্তিতে ভরাটের দাবি জানান গ্রামবাসী।

জানা গেছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের অর্থায়নে এবং উপজেলা ত্রাণ শাখার বাস্তবায়নে সিরাজদিখান উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের কাঁঠালতলী মুজাহিদপাড়া গ্রামের মোতালেব ফকিরের বাড়ির খালের ওপর ৩৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৯৪ টাকা ব্যয়ে ৩৮ ফুটের আরসিসি সেতু নির্মাণ করা হয়।

প্রায় ছয় মাস পার হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সংযোগ সড়কের মাটির কাজ রহস্যজনক কারণে শেষ না করায় সেতুটি চার পাশে পানি জমে আছে। বন্যার কারণে খালের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় মুজাহিদপাড়া কাঁঠালতলীসহ আশপাশের গ্রামের মানুষ ঝুঁকি নিয়ে পানিতে ভিজে পারাপার হয়। শিক্ষার্থীরা পারাপার হতে গিয়ে পানিতে পড়ে বই-খাতা, জামা-কাপড় নষ্ট হয়।

মুজাহিদপাড়া গ্রামের বাসিন্দা শামসুল আলম, পারভীন বেগম, সাইফুল আলম রাজুসহ বেশ কয়েকজন জানান, সেতু করছে কিন্তু সেতু পার হওয়ার কোনো রাস্তা নেই। কবে মাটি ফেলে রাস্তা করবে কে জানে। রাস্তা না হলে এই সেতু গ্রামের মানুষের কোনো উপকারে আসবে না।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আইমিন সুলতানা বলেন, বিষয়টি আমার জানা আছে। সেতুর কাজ এখনও শেষ হয়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সিকিউরিটি অর্থ জমা আছে, অচিরের সংযোগ সড়ক নির্মাণের কাজ করা হবে।

এএম/এমআরএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।