ভোলায় জোয়ারে ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ভোলা
প্রকাশিত: ১১:২২ পিএম, ০৬ আগস্ট ২০২০

পূর্ণিমার জোয়ারের প্রভাবে মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভোলার সাত উপজেলার নিম্নাঞ্চলের ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এছাড়াও পানিতে তলিয়ে গেছে মাছের ঘের, ফসলি জমি।

সরেজমিনে এলাকাবাসীর সঙ্গে আপালকালে জানা গেছে, বুধবার ও বৃহস্পতিবারের জোয়ারের পানির প্রভাবে ভোলা সদর উপজেলার তুলাতুলি, নাছিরমাঝি, রাজাপুর, বোরহানউদ্দিনের হামিকউদ্দিন, মির্জাকালু, দৌলতখানের হাজিপুর, লালমোহনের চর কচুয়াখালী, তজুমদ্দিনের সোনাপুর, চর মোজাম্মেল, চর জহিরউদ্দিন, চরফ্যাশনের চর কুকরি-মুকরি, ঢালচর, চর পাতিলা এবং মনপুরা উপজেলার কলাতলি চরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় ২০ হাজার মানুষ।

jagonews24

ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন বলেন, বুধবার বৃষ্টি উপেক্ষা করে লালমোহন ও তজুমদ্দিন উপজেলার প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশ দিয়েছি দ্রুত বাঁধ মেরামতের জন্য। তারা গতকাল থেকেই কাজ শুরু করেছে। এছাড়া দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সরকারিভাবে সহযোগিতা করা হবে।

অপরদিকে বৃষ্টি উপেক্ষা করে বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখানের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দ্রুত বাঁধ মেরামতের নির্দেশ দেন ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল। এছাড়াও বৃহস্পতিবার সকালে তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য চিড়া, গুড়, মোমবাতি, দিয়াশলাই ও অন্যান্য গৃহসামগ্রী পাঠিয়েছেন।

ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাসানুজ্জামান বলেন, মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর পানি ১১৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার কারণে ঝুঁকির মধ্যে পড়ে বাঁধ। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধের বিভিন্ন পয়েন্ট পরিদর্শন করেছি। দ্রুত মেরামতের কাজ চলছে।

জুয়েল সাহা বিকাশ/বিএ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]