লাইসেন্স ছাড়াই সাপের খামার, ৪৯টি বিষধর সাপ উদ্ধার

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নাটোর
প্রকাশিত: ০৯:৫৯ পিএম, ১২ আগস্ট ২০২০

নাটোরের নলডাঙ্গার বৈদ্যবেলঘরিয়া এলাকায় অবৈধ সাপের খামারে অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেলে উপজেলা প্রশাসন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগ যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।

এ সময় খামার থেকে ৪৯টি বিষধর সাপ, ২৯টি বাক্স এবং ৩৬টি সাপের ডিম উদ্ধার করে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগকে হস্তান্তর করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নলডাঙ্গার বৈদ্যবেলঘরিয়া চৌধুরীপাড়া গ্রামের মো. নুরু মোহাম্মদের ছেলে শাহাদাৎ হোসেন (৩৫) অবৈধভাবে সাপের খামারটি গড়ে তোলেন। একটি টিন শেডের ঘরে বৈজ্ঞানিক কোনো পদ্ধতি ছাড়াই খামারটি চালানো হচ্ছিল। খামারি নিজেই জানেন না কীভাবে সাবধানতা অবলম্বন করে সাপের ব্যবস্থাপনা করতে হয়। খামারে নেই কোনো বিদ্যুতের ব্যবস্থা। নেই কাঁচের সুরক্ষিত বাক্স। খামারটিতে ছোট-বড় মিলে মোট ৪৯টি সাপ থাকলেও কোনো সঠিক ব্যবস্থাপনা নেই। কোনো বৈধ কাগজপত্রও নেই।

এ ব্যাপারে রাজশাহী বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবির জানান, বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশনের (বিবিসিএফ) এর তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। সাপের খামারটি ছিল অবৈধ ।

নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, নলডাঙ্গা উপজেলার বৈদ্যবেলঘরিয়া চৌধুরীপাড়া গ্রামে লাইসেন্সবিহীন অবৈধ সাপের খামারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী খামারের মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সেখান থেকে উদ্ধার ৪৯টি বিষধর সাপ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অধিদফতরের কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

রেজাউল করিম রেজা/আরএআর/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]