ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে প্রবাসীর টাকা হাতিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নাটোর
প্রকাশিত: ০৫:৩০ পিএম, ১৪ আগস্ট ২০২০

নাটোরের নলডাঙ্গার এক প্রবাসীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে তিনবারে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের নাটোর শাখায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী প্রবাসী সুরুজ আলী (৩৩)। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ার ১৭দিন পার হলেও এখনও কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় তিনি সদর থানায় জিডি করেছেন।

প্রবাসী সুরুজ আলী মৃধা নলডাঙ্গা উপজেলার দুর্লভপুর গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দুর্ভলপুর গ্রামের প্রবাসী সুরুজ আলী ২০১৪ সালে নাটোরের কানাইখালীর ব্র্যাক ব্যাংক শাখায় অ্যাকাউন্ট খুলে নিয়মিত লেনদেন শুরু করেন। ওই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে গত ২৭ জুলাই রাত ১২টা ২৬ মিনিটে ০১৬০৯০২৯৯৩৫ নম্বরে ২০ হাজার টাকা, এর দুই মিনিট পর ০১৮৯৩৭২৮৯১৭ নম্বরে ৯ হাজার ৯৮৯ টাকা ও দুই মিনিট পর ০১৬০৯০২৯৯৩৫ নম্বরে ১০ হাজার টাকা বিকাশে ট্রান্সফার করে নেয় সাইবার দুর্বৃত্তরা। তিনবারে ৪০ হাজার টাকা অ্যাকাউন্ট থেকে হাতিয়ে নেয়ার পর অ্যাকাউন্টধারী সুরুজ আলীর মোবাইলে তিনটি ম্যাসেজ আসে। ম্যাসেজ পেয়ে তিনি ব্র্যাক ব্যাংকের হটলাইন নম্বরে অভিযোগ করে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেন। পরদিন তিনি ব্র্যাক ব্যাংক নাটোর শাখায় লিখিত অভিযোগ করেন। পরে নাটোর সদর থানায় জিডি করেন। এ ঘটনার ১৭ দিন পার হলেও অ্যাকাউন্ট থেকে হাতিয়ে নেয়া টাকা উদ্ধার বা ঘটনায় জড়িত কেউ শনাক্ত হয়নি।

সুরুজ আলী বলেন, আমার পরিবার অথবা আমার আত্মীয়-স্বজন কেউ এ ঘটনার সঙ্গে যদি যুক্ত থাকে তাকে শনাক্ত করার অনুরোধ করছি। কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এতদিনেও কোনো অপরাধীকে শনাক্ত করতে পারেনি।

ব্র্যাক ব্যাংক নাটোর শাখার ম্যানেজার এম ডি আবু সাঈদ জানান, অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে টাকা নেয়া ব্র্যাক ব্যাংকে সম্ভব নয়। তবুও গ্রাহক সুরুজ আলীর অভিযোগ পেয়ে ব্যাংকের আইসিটি বিভাগ বিষয়টি তদন্ত করছে। তদন্তে ৭৫ ভাগ অগ্রগতি হয়েছে। বিষয়টি দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।

রেজাউল করিম রেজা/আরএআর/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।