প্রতারণা : সাহেদের বিরুদ্ধে মুন্সিগঞ্জে গ্রেফতারি পরোয়ানা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মুন্সিগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৯:৪২ পিএম, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০
সাহেদ করিম

বহুল আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতাল প্রতারণা মামলার প্রধান আসামি ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে তিন লাখ টাকার চেক জালিয়াতির অভিযোগে মুন্সিগঞ্জ আদালতে মামলা হয়েছে। মামলাটি আমলে নিয়ে সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) মুন্সিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-৪ এ মামলা করেন বালু ব্যবসায়ী হুমায়ুন কবির। আদালতের বিচারক আরফাতুল রাকিব মামলাটি আমলে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ দেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, টঙ্গিবাড়ী উপজেলার আব্দুল্লাহপুর এলাকার মৃত আবুবক্কর চোকদারের ছেলে মো. হুমায়ুন কবির ওরফে শোভন চোকদার দীর্ঘদিন ঢাকার মিরপুর-১২-এ প্রিয়াঙ্কা হাউসিংয়ের ব্যবসা করে আসছিলেন। তার প্রতিষ্ঠানে সাহেদ বালু কিনতে গেলে হুমায়ুন কবির শোভনের সঙ্গে পরিচয় হয়।

হুমায়ুন কবিরের কাছ থেকে ১২ লাখ ৫৭ হাজার ৮১৬ টাকার বালু কিনে নগদ দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা দেন সাহেদ। বাকি টাকা পরে দেয়ার কথা বলেন। ৩ জুলাই হুমায়ুনকে প্রাইম বাংকের দুই লাখ টাকার একটি চেক দেন সাহেদ। পরে একই বাংকের হিসাব নম্বরের এক লাখ টাকার আরও একটি চেক দেন সাহেদ। টাকা উত্তোলনের জন্য জনতা ব্যাংক টঙ্গিবাড়ী আব্দুল্লাহপুর শাখায় চেক দুটি জমা দিলে সাহেদের অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকায় ডিসঅনার করে ফেরত দেয়া হয়। পরে মুন্সিগঞ্জ আদালতে চেক ডিসঅনারের মামলা করলে সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ দেন বিচারক।

মামলার বাদী হুমায়ুন কবির বলেন, এক বছর আগে সাহেদকে আমি প্রায় সাড়ে ১২ লাখ টাকার বালু দেই। আমাকে নগদ দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং তিন লাখ টাকার চেক দেন সাহেদ। বাকি টাকা পরে দেবেন বলে জানান। কিন্তু সাহেদের অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকায় চেক ডিসঅনার করে ফেরত দেয়া হয়। এজন্য মামলা করেছি।

বাদীর আইনজীবী নিখিল চন্দ্র মল্লিক বলেন, রোববার আদালতে মামলা করেছি। আদালত সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

এএম/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]