বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করল ৬ ডাকাত

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি খাগড়াছড়ি
প্রকাশিত: ০৯:৩৭ এএম, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

খাগড়াছড়ি জেলা সদরের বলপাইয়্যে আদাম এলাকার একটি বাড়িতে গত বুধবার রাতে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এক নারীকে গণধর্ষণের ঘটনায় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে ছয় আসামি। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে রাত পৌনে ৯টা পর্যন্ত পৃথক তিনটি আদালত আসামিদের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ শেষে জেলহাজতে পাঠান।

খাগড়াছড়ি সদর থানা পুলিশের ওসি মুহম্মদ রশিদ জানান, খাগড়াছড়ির সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোরশেদুল আলম, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সামিউল আলম ও সাখাওয়াত হোসেন চৌধুরী রিয়াদের আদালতে গ্রেফতার হওয়া ৭ আসামির মধ্যে ৬ জন ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেন।

গ্রেফতারকৃত অপর আসামি ডাকাতি ও গণধর্ষণের মূল পরিকল্পনাকারী মো. আমিন ওরফে নুরুল আমিন জবানবন্দি না দেয়ায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ। আদালত ৩০ সেপ্টেম্বর রিমান্ডের শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

প্রসঙ্গত, বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে খাগড়াছড়ি জেলা শহরের গোলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন বলপাইয়্যে আদাম এলাকার একটি বাড়িতে গভীর রাতে সাবল দিয়ে দরজা ভেঙে বাড়ির মালিক, তার স্ত্রী ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মেয়ের হাত-মুখ বেঁধে ফেলে দুর্বৃত্তরা। পরে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মেয়েকে পাশের রুমে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তারা। এ সময় তারা বাড়ির আলমারি থেকে তিন ভরি স্বর্ণ, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন লুট করে বাইরে থেকে ঘর আটকে পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালের দিকে গৃহকর্ত্রীর চিৎকারে স্থানীয়রা এসে তাদের উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় গণধর্ষণের শিকার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী নারীর মা বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৯ জনকে আসামি করে খাগড়াছড়ি সদর থানায় গণধর্ষণ ও ডাকাতির পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন।

মুজিবুর রহমান ভুইয়া/এফএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]