যশোরে তিন কিশোর বন্দি খুন : ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি যশোর
প্রকাশিত: ১০:০৩ এএম, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১
ছবি : মিলন রহমান

যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে তিন বন্দিকে নির্যাতনে হত্যা ও আরো ১৫ জনকে আহত করার মামলায় আদালতে চার্জশিট দাখিল হয়েছে। তদন্তে ওই ঘটনার সঙ্গে ১২ জনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।

এরমধ্যে কর্মকর্তাসহ আটজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট এবং বাকি চার কিশোরের বিরুদ্ধে দোষীপত্র দেয়া হয়েছে। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ না পাওয়ায় একজন প্রশিক্ষককে এই মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক রোকিবুজ্জামান।

চার্জশিটভুক্তরা হলেন- সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, প্রবেশন অফিসার মাসুম বিল্লাহ, শিক্ষক এম শাহানুর আলম ও মুশফিকুর রহমান ও চার বন্দি কিশোর মোহাম্মদ আলী, খালিদুর রহমান, ইমরান হোমেন ও হুমাইদ হোসেন।

আর চার কিশোর রিফাত রহমান, মনোয়ার হোসেন, পলাশ ও আনিসুজ্জামানের বিরুদ্ধে দোষীপত্র দেয়া হয়েছে।

তবে নূর ইসলাম নামের যে হেড গার্ডকে কেন্দ্র করে ওই ঘটনার সূত্রপাত তার বিরুদ্ধে তদন্তে নির্যাতনে জড়িত থাকার অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এই চার্জশিট দাখিল করা হয়।

jagonews24

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১৩ আগস্ট দুপুরে যশোর কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে কর্মকর্তা, কর্মচারী ও বন্দিদের নির্যাতনে তিন বন্দী নিহত ও আরও ১৫ জন আহত হয়

এই ঘটনায় নিহত পারভেজ হাসান রাব্বির পিতা রোকা মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের কর্মকর্তা কর্মচারীদের আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। পুলিশ এই মামলায় প্রথমেই সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, সহকারী তত্ত্বাবধায়ক (প্রবেশন) অফিসার মাসুম বিল্লাহ, এম শাহানুর আলম, মুশফিকুর রহমান ও ওমর ফারুককে আটক করে।

এরপর বন্দী কিশোর মোহাম্মদ আলী, খালিদুর রহমান তুহিন ওরফে খালেকুর রহমান, ইমরান হোসেন, হুমাইদ হোসেন, রিফাত আহম্মেদ, মনোয়ার হোসেন, পলাশ ওরফে শিমুল পলাশ ও আনিসুজ্জামানকে আটক করা হয়। এছাড়া এই মামলায় আটক ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ তদন্তে পাওয়া যায়নি।

তদন্ত কর্মকর্তা চাঁচড়া ফাঁড়ি পুলিশের পরিদর্শক রোকিবুজ্জামান বলেছেন, এই মামলা তদন্ত কাজ শেষ হয়েছে। তদন্তে চার কর্মকর্তা ও আট বন্দির জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

মিলন রহমান/এসএমএম/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]