ধুনটে অপহৃত ঠিকাদারকে ৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার
বগুড়ার ধুনট উপজেলার মথুরাপুর বাজার এলাকা থেকে অপহরণের ৬ ঘণ্টা পর রিপন মাহমুদ (২৮) নামে আহত এক ঠিকাদারকে সিরাজগঞ্জ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় শুক্রবার (২ এপ্রিল) দুপুরে ধুনট থানায় মামলা হয়েছে। রিপন মাহমুদ উপজেলার বানিয়াগাঁতী গ্রামের মোতাহার আলীর ছেলে। তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রিপন ঢাকায় ঠিকাদারি করেন। তিনি বুধবার বিকেলে নিজ বাড়ি থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন। বিকেল ৫টায় স্থানীয় মথুরাপুর বাজার এলাকায় পৌঁছান। এ সময় অপহরণকারীরা রিপনকে সিএনজি চালিত অটোরিকশায় তুলে সিরাজগঞ্জের একডালা গ্রামে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে তা হাত-পা ও মুখ বেঁধে একটি ঘরের ভেতর আটক মারপিট করে। এ সময় রিপনের নিকট থেকে ৩টি সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর ও আড়াই লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় অপহরণকারীরা।
রিপনের পরিবারের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে ধুনট থানা পুলিশ বুধবার রাত ১১টায় একডালা গ্রাম থেকে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এ ঘটনায় রিপন মাহমুদের ভগ্নীপতি হাসেম আলী বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় বানিয়াগাতী গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে বাবুল আক্তারসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়।
মামলার বাদী হাসেম আলী বলেন, অপহরণকারীর মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রিপনের আটকের বিষয়টি জেনে থানায় খবর দেয়া হয়। পরে পুলিশ সেখান থেকে রিপনকে উদ্ধার করে। অপহরণকারীরা রিপন মাহমুদকে হত্যাচেষ্টা করে।
এ মামলার প্রধান আসামি বাবুল আক্তার বলেন, রিপনকে অপহরণের ঘটনাটি সত্য। তবে অপহরণ ঘটনার সঙ্গে আমি জড়িত ছিলাম না। অপহরণকারীরা আমার আত্মীয় হওয়ায় আমাকে মামলার আসামি করেছে। দীর্ঘদিন ধরে রিপনের সঙ্গে আমার পারিবারিকভাবে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে রিপন মাহমুদকে মথুরাপুর বাজার এলাকা থেকে তুলে নিয়ে মারপিট করেছে। এই মামলার আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
জেডএইচ/এএসএম