বাউফলে দুই মেম্বারপ্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ-ভাঙচুর, আহত ১৭

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী
প্রকাশিত: ০৯:৪৭ পিএম, ১৫ এপ্রিল ২০২১
ফাইল ছবি

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে দুই মেম্বার প্রার্থী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এসময় অন্তত ১৭ জন আহত হন।

বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে দক্ষিণ চর মিয়াজান ইবতেদায়ি মাদরাসার দক্ষিণ পাশে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে তিনজনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকি ১৪ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, করোনাভাইরাসের কারণে নির্বাচন বন্ধ থাকলেও চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী মো. কামাল হোসেন সিকদার (৩৮) ও মো. বাবুল হাওলাদারের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চলে আসছিল। সকালে বাবুলের সমর্থক মো. নাসির খান (৪৫) সাইকেলযোগে বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চর মিয়াজান ইবতেদায়ি মাদরাসার দক্ষিণ পাশে পৌঁছলে তার সঙ্গে কামালের সমর্থক মো. কালু হাওলাদারের (৪০) সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যয়ে উভয় পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। পরবর্তীতে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

জানতে চাইলে মেম্বার প্রার্থী মো. কামাল হোসেন সিকদার অভিযোগ করে বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার দুই সমর্থকের বাড়িতে অপর প্রার্থী বাবুল হাওলাদারের সমর্থকরা হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে সাতটি গরু লুট করে নিয়ে গেছে।

হামলার ঘটনা অস্বীকার করেন অপর মেম্বার প্রার্থী বাবুল হাওলাদারও। তিনি মোবাইল ফোনে বলেন, ‘আমার ছেলে জিয়াউরকে মেরে রক্তাক্ত করা হয়েছে। শুনেছি আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কামাল ও তার লোকজন ওই ঘটনা ঘটিয়েছেন।’

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) আল মামুন বলেন, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে দুই পক্ষের মারামারির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে। এখন পরিবেশ শান্ত রয়েছে।

এসআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]