রোজার শুরুতেই চুয়াডাঙ্গায় লাগামহীন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গা
প্রকাশিত: ০৪:৫৩ পিএম, ১৬ এপ্রিল ২০২১

সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র রমজান এলেই দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর দাম স্বল্প আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে চলে যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। মাত্র পাঁচদিনের ব্যবধানে পবিত্র রমজানের তৃতীয় দিনেই চুয়াডাঙ্গায় কাঁচা তরিতরকারিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও ইফতার তৈরির প্রতিটি পণের দাম কেজিতে ৬ টাকা থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।

শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) চুয়াডাঙ্গা শহরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পাঁচদিন আগে বাজারে যে বেগুন প্রতিকেজি ৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে তা বর্তমানে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ৬০ টাকার ঝিঙে ১০০ টাকা, ৫০ টাকার ডাটা ৮০ টাকা, ৫০ টাকার এক কেজি উসতে ৯০ টাকায়, ৪০ টাকার পটল ৬০ টাকা, ৪০ টাকার ঢেঁড়শ ৬০ টাকা, ১০ টাকার আলু ১৬ টাকা, ২০ টাকার এক হালি লেবু ৫০ টাকা, ২০ টাকার লাউ ৩০ টাকা, ৩০ টাকার কাঁচা কলা ৪০ টাকা, ৩৫ টাকার ক্ষিরা ৬০ টাকা, ২০ টাকার কুমড়া ২৫ টাকা।

ছোলার দাম বেড়েছে কেজিতে ১৫ টাকা। যে ছোলার দাম কিছুদিন আগেও ছিল ৬৫ টাকা, সেই ছোলা কঠোর লকডাউনে ১৫ টাকা বেড়ে ৮০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। ২৫ টাকা কেজি দরের তরমুজ ৪৫ টাকা, এক কেজি সোনালী মুরগি ২৫০ টাকা, লেয়ার ২৪০ টাকা, প্যারেন্ট ২৫০ টাকা, বয়লার ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

হঠাৎ এ মূল্য বৃদ্ধি সম্পর্কে জানতে চাইলে শহরের কাঁচা বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম জানান, বাজারে জোগান কমে যাওয়ায় তরিতরকারির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বেশিরভাগ বিক্রেতারই সেই একই কথা—যেমন কিনছি তেমন বেচছি। সামান্য কিছু লাভ তো করতেই হবে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমান বলেন, ‘রমজানের প্রথম দিন জরিমানা না করে মৌখিকভাবে ন্যায্যমূল্যে তরিতরকারি বিক্রির জন্য বলা হয়েছে। শুক্রবার থেকে দোকান মনিটরিংসহ কঠোরভাবে বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

সালাউদ্দীন কাজল/এসআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]