সেই মতি-রাশিদাকে টিন ও নগদ অর্থ দিলেন এমপি অপু

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি শরীয়তপুর
প্রকাশিত: ০৫:৩৭ পিএম, ২৫ এপ্রিল ২০২১

ঘর নেই, সিমেন্টের বস্তা পলিথিন আর বাঁশের তৈরি ছাপড়ার নিচে দুই বছর ধরে থাকছেন মতি ও রাশিদা বেগম নামের এক দম্পতি। তাদের ভাগ্যে আজও জোটেনি সরকারি কোনো সাহায্য বা ঘর। সেই মতি-রাশিদাকে ঘরের জন্য টিন এবং নগদ অর্থ দিয়েছেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য ইকবাল হোসেন অপু।

রোববার (২৫ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে সদর উপজেলা অডিটোরিয়াম থেকে এমপির পক্ষ থেকে তিন বান্ডেল টিন ও নগদ ১৮ হাজার টাকা দেয়া হয় তাদের।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামাল হোসেন ফকির, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, অফিস সহকারী গিয়াসউদ্দিন আহম্মেদ প্রমুখ।

শরীয়তপুর সদর উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর চন্দনকর গ্রামে দুই শতাংশ জমি আর সিমেন্টের বস্তা ও পলিথিন ঘেরা ঝুপড়িটি মতি-রাশিদার একমাত্র সম্বল। তাদের সংসারে আছে এক ছেলে রবিউল ব্যাপারী (৭) ও এক মেয়ে মরিয়ম (৩)। খেয়ে না খেয়ে সন্তানদের নিয়ে কোনোরকম দিন কাটছে অসহায় দম্পতির।

এ নিয়ে ২৩ এপ্রিল অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কম-এ ‘সিমেন্টের বস্তায় তৈরি ঝুপড়িতে দিন কাটছে মতি-রাশিদার’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর এমপির নজরে আসলে তিনি তাদের পাশে দাঁড়ান।

অন্যদিকে মতি ব্যাপারীর অসহায়ত্বের কথা জানতে পারেন শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসান। এক মাসের ভেতর মতি-রাশিদাকে ঘর দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

মতি ব্যাপারী জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি মাটি কাটা শ্রমিক। বিয়ের আগে বাবার ঘরে ছিলাম। বিয়ের পর থাকার জায়গা না থাকায় অন্যের বাড়ি বাড়ি ছিলাম। আমি গরিব, টাকার অভাবে ঘর তুলতে পারিনি। বাবার কাছ থেকে দুই শতাংশ জমি পেয়েছি। সেখানেই সিমেন্টের বস্তা, পলিথিন আর বাঁশে ঘেরা ছাপড়ার নিচে দুই বছর ধরে আছি। আজ এমপি টিন ও নগদ টাকা দিল। আমি খুবই খুশি। স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে টিনের ঘরে থাকব।’

মো. ছগির হোসেন/এসজে/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।