ওএমএসের তালিকায় মেম্বারসহ পরিবারের ২০ জনের নাম

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কুড়িগ্রাম
প্রকাশিত: ১০:৪৬ এএম, ১৬ জুন ২০২১

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার ভাঙ্গামোড় ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সদস্য হযরত আলী। তিনি নিজের স্ত্রী, বাবা, মা, ছোট ভাই, ভাইয়ের স্ত্রী, খালা, খালু, মামাতো ও খালাতো ভাই-বোনসহ নিজ পরিবারের অন্তত ২০ জনকে ওএমএস ও ভিজিডি কার্ডের তালিকায় নাম দিয়েছেন।

অথচ ওয়ার্ডের দুস্থ ও অসহায় অসংখ্য মানুষ সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগপত্রে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ইউপি সদস্য হযরত আলীর স্ত্রী মমিনা বেগমের নামে ১০ টাকা কেজির চালের কার্ড রয়েছে। তা সত্ত্বেও ২০২১-২২ অর্থবছরের ভিজিডি কার্ডের তালিকায় স্ত্রীর নাম অন্তর্ভুক্ত করে চাল তুলেছেন মেম্বার। এছাড়া মেম্বার হযরত আলীর বাবা আব্দুল খালেক, মা হাজরা বেগম, ছোট ভাই হুজুর আলী, মজিবুল হক ও তার স্ত্রী লাভলী বেগম, মামা গোলাপ হোসেন, মামী ছকিনা বেগম, খালা হালিমা বেগম, খালু শাহজালাল, খালাতো ভাই হারুন ও তার স্ত্রী জান্নাতি বেগম, মামাতো ভাই শাহীন ও তার স্ত্রী মর্জিনা বেগমসহ ২০ জন আত্মীয়-স্বজনের নাম ওএমএস-এর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন তিনি। এমনকি নিজের নামেও ওএমএস-এর চাল তুলেছেন হযরত আলী।

অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য হযরত আলী বলেন, ‘তালিকায় যাদের নাম রয়েছে, তারা সবাই হতদরিদ্র। আমি আসন্ন ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি বলেই প্রতিপক্ষরা প্রতিহিংসার কারণে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমাকে ফাঁসানোর জন্য অভিযোগ করেছেন।’

জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন দাস বলেন, ‘ইউপি সদস্য হযরত আলীর বিরুদ্ধে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মো. মাসুদ রানা/এএএইচ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।