১৫ ও ২১ আগস্ট হত্যায় জড়িতদের কোনো ক্ষমা নয় : কৃষিমন্ত্রী

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি টাঙ্গাইল
প্রকাশিত: ০৯:২১ পিএম, ১৯ জুলাই ২০২১

এক সময় বাংলাদেশের নাম লেখা হতো অন্যতম দরিদ্র দেশ হিসেবে। আজ সেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ আর সামনে ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নের মাধ্যমে উন্নত জাতি হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

সোমবার (১৯ জুলাই) দুপুরে ভার্চুয়ালি টাঙ্গাইলের মধুপুরে কৃষিমন্ত্রীর নিজস্ব তহবিল থেকে বন্যা ও করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নগদ অর্থের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড ইতিহাসের নির্মম একটি অধ্যায়। এর আগে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডে পরিবারসহ কাউকে হত্যা করা হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করতেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, ন্যায় ও সমতার ভিত্তিতে বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছিলেন। ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে একাত্তরের পরাজিত শক্তি ও যুদ্ধাপরাধীরা এ দেশের স্বাধীনতা ও অস্তিত্বকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল।

মন্ত্রী বলেন, আমরা গণতন্ত্র বিশ্বাস করি। এটাই মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ। আওয়ামী লীগ সুসংগঠিত দল এবং সবার মধ্যে ভ্রাতৃত্ব রয়েছে। যারা ১৫ ও ২১ আগস্ট জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের হত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কোনো ক্ষমা নয়। আমরা একটি সঠিক রাজনৈতিক দল চাই যারা সঠিকভাবে রাজনীতি করবে, সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করবে এবং মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ধারণ করে।

ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ঈদের দিন মানুষ যেন না খেয়ে থাকে। ঈদের আনন্দ যেন আমরা সবাই মিলে ভাগ করে নিতে পারি। ত্যাগের মাধ্যমে যেন আমরা এগিয়ে যেতে পারি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখনও বেশির ভাগ মানুষ প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। এছাড়া কৃষকদের বেশিরভাগই প্রান্তিক ও ভূমিহীন। স্বল্প জমিতে ও বাড়ির আঙিনায় গরু-মুরগি পালন, ফলমূল চাষ ও শাকসবজির বাগান স্থাপনসহ বিভিন্ন আধুনিক কৃষিকাজ বৃদ্ধি পেলেই গ্রামীণ মানুষের দারিদ্র আরও হ্রাস পাবে। তাদের জীবনমানের উন্নয়ন হবে।

মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমীনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজীব আল রানার সঞ্চালনায় এসময় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার আব্দুল গফুর মন্টু, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ আহমদ নাসির, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ইয়াকুব আলী, মহিষমারা ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মোতালেব হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে ২৭১ জন সুবিধাভোগীর মধ্যে ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়। এ সময় ইউপি চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরিফ উর রহমান টগর/আরএইচ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।