দোকান খোলা রাখায় ফরিদপুরে সংবাদপত্র বিক্রয় প্রতিনিধিকে জরিমানা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ফরিদপুর
প্রকাশিত: ০৮:০১ পিএম, ০৫ আগস্ট ২০২১

ফরিদপুরে একটি সংবাদপত্র বিক্রয়কেন্দ্রে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বিক্রয় প্রতিনিধিকে জরিমানা করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

বুধবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে শহরের গোয়ালচামট মহল্লা এলাকার লাক্সারি হোটেলের পাশে অবস্থিত সংবদপত্র বিক্রয়কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশব্যাপী কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে জরুরি সেবা হিসেবে আওতামুক্ত রাখা হয়েছে সংবাদপত্রকে। কিন্তু এ অবস্থায়ও ওই ব্যক্তিকে জরিমানা করেন সদর উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুজ্জামান।

ওই বিক্রয় প্রতিনিধির নাম বিজয় দাস। তিনি শহরের শ্রী অঙ্গন মহল্লার অধিবাসী। বিজয় দাস নিজে পত্রিকার এজেন্ট ও বিক্রেতা। লাক্সারী হোটেলের পূর্বপাশে ‘উর্মি কম্পিউটার ফটোস্ট্যাট ও সংবাদপত্র সেন্টার’ নামে দোকানটির স্বত্বাধিকারী তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শী ও বিজয় দাসের ভাষ্যমতে, বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুজ্জামান একটি গাড়িতে করে ওই এলাকায় যান। ওই সময় বিজয় দাস দোকানে বসে পত্রিকা বিক্রি করছিলেন। এসময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তার দোকান কেন খোলা তা জানতে চান। তখন তিনি (বিজয়) ম্যাজিস্টেটকে বলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সংবাদপত্র এ বিধিনিষেধের আওতামুক্ত। এজন্য তিনি দোকান খোলা রেখেছেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্টেট বিজয় দাসের এ কথায় কোনো ভ্রুক্ষেপ না করে সংবাদপত্রের দোকান খোলা রাখার অভিযোগে তাকে দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারায় ৪০০ টাকা জরিমানা করেন।

এ ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্টেট মো. খায়রুজ্জামান বলেন, তিনি কোনো পত্রিকার দোকানে জরিমানা করেননি। তবে সুনির্দিষ্টভাবে বিজয় দাসের বিষয়টি জানানো হলে তিনি উত্তর না দিয়ে মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এরপর ওই ম্যাজিস্ট্রেটকে আবার ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। পরে তৃতীয়বার ফোন করা হলে তিনি সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন।

এন কে বি নয়ন/এসআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]