বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেলো কিশোর-কিশোরী, কাজীর কারাদণ্ড

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গা
প্রকাশিত: ০৯:০৭ এএম, ২৯ আগস্ট ২০২১

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছে কিশোর-কিশোরী। শনিবার (২৮ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে কনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাজহারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে কাজীকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন ও বাল্যবিয়েতে সহযোগিতা করায় বরের ভগ্নিপতিকে দুই হাজার ১০০ টাকা জরিমানা করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত ১১টার দিকে চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে কলোনির পঞ্চম শ্রেণির (১২) এক ছাত্রীর সঙ্গে সদর উপজেলার জাফরপুর গ্রামের এক কিশোরের (১৭) বিয়ের আয়োজন চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই বাড়িতে হাজির হন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে বরসহ অন্যরা পালিয়ে যান। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজী নাজমুল হক হীরাকে আ্টক করে বাল্যবিবাহ নিধন আইন ২০১৭ সালের ৯ ধারায় ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে পাত্রের অবিভাবক ভগ্নিপতি সাইফুল ইসলামকে দুই হাজার ১০০ টাকা জরিমানা করেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাজহারুল ইসলাম বলেন, কনের বাড়িতে বাল্যবিয়ের আয়োজন চলছে- এমন সংবাদে সেখানে অভিযান চালানো হয়। পরে উভয়পক্ষের অভিভাবকদের বাল্যবিয়ের কুফল সম্পর্কে বোঝালে তারা ভুল বুঝতে পারেন। প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত সন্তানকে বিয়ে দেবেন না বলে জানান।

ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সার্বিক সহযোগিতা করেন পেশকার সোবহান আলী ও সদর থানা পুলিশের সদস্যরা।

সালাউদ্দীন কাজল/বিএ/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।