জামাইকে হাতুড়িপেটা করে পুলিশে দিলেন শ্বশুর

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কুষ্টিয়া
প্রকাশিত: ০৫:৪৫ এএম, ৩১ আগস্ট ২০২১

নববধূর সঙ্গে দেখা করতে শ্বশুরবাড়ি গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে আপ্যায়নের বদলে শিকার হয়েছেন হাতুড়িপেটার। শুধু তাই নয়, চুরিচেষ্টার মামলা দিয়ে তাকে পাঠানো হয় কারাগারে।

সোমবার আদালতের মাধ্যমে নববধূর স্বামী জাকারিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের হোগলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

হাতুড়িপেটার শিকার জাকারিয়া রাজবাড়ী সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের অনার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। জগন্নাথপুর ইউনিয়নের জোতপাড়া গ্রামরে মৃত শহিদুল ইসলামের ছেলে।

জাকারিয়ার চাচা রবিউল ইসলাম জানান, তার ভাতিজার সঙ্গে ওই মেয়ের দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছে। প্রায় দুই বছর আগে মেয়েটির বাবা তার ভাতিজাকে এ নিয়ে মারধর করেন। হঠাৎ ২৪ আগস্ট তারা দুজনে গোপনে কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা যে যার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

জাকারিয়ার চাচা অভিযোগ করেন, রোববার রাতে তার ভাতিজার মোবাইলে মেয়েটির ম্যাসেজ আসলে ভাতিজা দেখা করতে ছুটে যান। এসময় মেয়েটির বাবা খলিল মাষ্টার তার চাচাত ভাইসহ শ্বশুরবাড়ির ৪-৫ জন মিলে ঘরের মধ্যে আটকে তার ভাতিজাকে হাতুড়িপেটা করেন। এরপর তার বিরুদ্ধে চুরির চেষ্টার অভিযোগ করে তাকে পুলিশে সোপর্দ করেন।

এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার জানান, রাত ১টার দিকে খলিল মাষ্টারের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশের জন্য তারা ওই যুবককে মারপিট করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে। পরে তার বিরুদ্ধে ওই পরিবারের পক্ষ থেকে চুরিচেষ্টার অভিযোগে থানায় মামলা করা হয়।

আল মামুন সাগর/জেডএইচ/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।