২৫ দিন পর নিখোঁজ আরেক শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ফরিদপুর
প্রকাশিত: ১০:০১ এএম, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে ২৫ দিন পর ফরিদপুরে ট্রলার ডুবিতে নিখোঁজ শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পদ্মা সেতুর ৫ নং পিলারের নিকটবর্তী মাঝির চর এলাকা থেকে জাজিরা থানা পুলিশ ও নৌপুলিশ শিক্ষক আলমগীর হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেলে জাজিরা থানায় এসে শিক্ষক আলমগীরের স্ত্রী জোবাইদা ইয়াসমিন জেবা স্বজনদের উপস্থিতিতে মরদেহ শনাক্ত করেন। ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আলীমুজ্জামান মরদেহ ফরিদপুরে আনার ব্যাপারে সার্বিক সহযোগিতা করেন।

জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পদ্মায় মরদেহ ভাসতে দেখে রোববার সকালে স্থানীয়রা ৯৯৯-এ কল করেন। এরপর নৌপুলিশ ও জাজিরা থানার পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে জাজিরার মঙ্গল মাঝি সাত্তার মাতবরের ঘাট এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। আলমগীর ফরিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। তিনি ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের ইকরা মাতুব্বরের ডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম আব্দুস সালাম শেখ।

তিনি আরও জানান, আলমগীরের বুকে নীল রঙের জন্মদাগ দেখে পরিচয় শনাক্ত করেছেন স্ত্রী জোবাইদা ইয়াসমিন। এরপর মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

মাঝিরঘাট নৌপুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মঈনুল ইসলাম বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে জাজিরা থানায় নেওয়া হয়েছে। সেখানে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রাতেই চর মাধবদিয়া ইউনাইটেড উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে বাড়ির পাশে আলমগীরের দাফন সম্পন্ন হয়েছে বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। এর আগে গত ৪ সেপ্টেম্বর আলমগীর হোসেনের গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

গত ২৫ আগস্ট ফরিদপুরের সিএন্ডবি ঘাটে নৌকাডুবিতে সারদা সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আজমল হোসেন এবং ফরিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আলমগীর হোসেন পদ্মার স্রোতে তলিয়ে যান। ঘটনার এক সপ্তাহ পর আজমল হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করে নৌপুলিশ।

এন কে বি নয়ন/ইএ/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।