বগুড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেলো কৃষকের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক বগুড়া
প্রকাশিত: ০৫:৩২ পিএম, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১
প্রতীকী ছবি

সাংসারিক প্রয়োজনীয় কাজে বাঁশবাগানে যান কৃষক কফিল উদ্দিন। এ সময় বাগানের একটি বাঁশ স্পর্শ করতেই আচমকা বিদ্যুতায়িত হয়ে গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।

সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের স্যানপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কফিল উদ্দিন ওই গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কফিল বিদ্যুতায়িত হলে তাকে স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মামুন জাগো নিউজকে বলেন, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই কফিল উদ্দিন মারা যান। সম্ভবত বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্বজনরা।

এদিকে এ ঘটনায় স্থানীয় পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বহীনতার কারণেই কৃষক কফিল উদ্দিনের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী।

তাদের অভিযোগ, কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে বাসা-বাড়ি ও বাঁশবাগানের ওপর দিয়ে এগারো হাজার কেবি ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন টানানো হয়েছে। একই সঙ্গে পোতা হয়েছে বিদ্যুতের খুঁটি। এমনকি এসব বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে খোলা তার ব্যবহার করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এসব লাইনেই বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। বিষয়টি তাদের একাধিকবার জানানো হলেও কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাই এ ধরনের ঘটনা ঘটছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন শেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আঞ্চলিক উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. ফখরুল ইসলাম। তিনি জাগো নিউজকে জানান, এ ক্ষেত্রে তাদের কোনো দায়িত্ব অবহেলা নেই। কারণ এসব সমস্যার বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ তার দপ্তরে আসেনি। এরপরও ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখবেন তিনি।

শেরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাচ্চু বিশ্বাস বলেন, ঘটনাটি মৌখিকভাবে শুনেছি। কিন্তু কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসজে/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]