ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন, ৫ জনের কারাদণ্ড

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রকাশিত: ০৩:৩৩ পিএম, ১২ অক্টোবর ২০২১
প্রতীকী ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় দেলোয়ার হোসেন দিলু হত্যায় বাবুল মিয়া (৫৪) নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবনসহ আরও পাঁচজনকে এক বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া অতিরিক্ত দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মো. আবু উবায়দা এ রায় ঘোষণা করেন।

অপর দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- দুলাল মিয়া, সৈয়দ খা, হাসান মিয়া, হানু মিয়া ও মোহাম্মদ আলী। বাকি ৪৬ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার প্রধান আসামী বাবুল মিয়াকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। এছাড়া আদালতের রায়ের আরও পাঁচজনকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে আদালত।

আদালত সূত্র জানায়, ২০০৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পূর্ব বিরোধের জেরে স্থানীয় স্কুল মাঠে প্রতিপক্ষের লোকজন দা দিয়ে কুপিয়ে দেলোয়ার হোসেন দিলুকে আহত করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে আখাউড়া উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেখান থেকে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরে শারীরিক অবস্থা অবনতি হলে রাজধানীতে নেওয়া হয়। পরদিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দিলু মৃত্যুবরণ করেন।

এ ঘটনায় ১৭ ফেব্রুয়ারি দেলোয়ার হোসেন দিলুর চাচা মনির মিয়া মামলা করেন। মামলায় একই এলাকার বাবুল মিয়াকে প্রধান করে ৫৩ জনকে আসামি করা হয়।

মামলার তদন্ত শেষে ২০০৭ সালের ১৭ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র প্রদান করে পুলিশ। এরমধ্যে এক আসামি মারা যান। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ বাদীসহ ১৯ জনের সাক্ষীপ্রদান করে এবং বিবাদী পক্ষ ৯ জনের সাফাই সাক্ষী প্রদান করেন। দীর্ঘ যুক্তিতর্ক শেষে আদালত মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মুজিবুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম সব আসামির সাজা হবে। খালাস পাওয়া আসামিদের বিরুদ্ধে আমরা উচ্চ আদালতে যাবো।

অন্যদিকে বিবাদী পক্ষের আইনজীবী জসিম উদ্দিন খাঁ এ রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে জানান, আমরা এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাবো।

আবুল হাসনাত মো. রাফি/আরএইচ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।