মাদক সংশ্লিষ্টতার এক বছর পর যুবলীগ নেতাকে শোকজ
মাদক সেবনের ছবি প্রকাশের এক বছর পর নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নুর হোসেন মাসুদকে শোকজ করেছে জেলা কমিটি।
সোমবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ইমন ভট্ট, যুগ্ম-আহ্বায়ক একরামুল হক বিপ্লব ও আমিনুল হক মুন্না সাক্ষরিত এক নোটিশে ওই নেতাকে তিনদিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়।
নোটিশ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর একটি জাতীয় দৈনিকে ‘কার্যালয়ে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানকে ইয়াবা খাওয়াচ্ছেন ইউপি সদস্য’ শীর্ষক সংবাদ প্রকাশ হয়। এতে বেগমগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক নুর হোসেন মাসুদের মাদক সেবনের ছবিও ছাপা হয়।

এছাড়া ওই সংবাদে তিনি মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত বলেও দাবি করা হয়েছে। এরূপ কর্মকাণ্ডে যুবলীগের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে, যা সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থী বলে মনে করছে সংগঠনটি। এ অবস্থায় নুর হোসেন মাসুদকে কারণ দর্শানো নোটিশ পাঠানো হয়। ওই নোটিশে তার বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তা আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে জেলা যুবলীগ বরাবর লিখিতভাবে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
এ ব্যাপারে নুর হোসেন মাসুদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঢাকায় অবস্থান করায় নোটিশ হাতে পাননি বলে জানান।
তিনি আরও বলেন, আমাকে হেয় করতে কে বা কারা একটি ভিডিও এডিট করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দিয়েছে। আমি মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত নই।
নোয়াখালী জেলা যুবলীগ আহ্বায়ক ইমন ভট্ট ও যুগ্ম আহ্বায়ক একরামুল হক বিপ্লব জানান, নুর হোসেন মাসুদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতাদের নির্দেশে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। জবাব পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইকবাল হোসেন মজনু/আরএইচ/এএসএম