স্কুল ও রিসোর্ট-স্পা সেন্টারে প্রবেশের এক ফটক!

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি টাঙ্গাইল
প্রকাশিত: ০১:০৩ পিএম, ১৯ অক্টোবর ২০২১

টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার দাপনাজোর এলাকায় পাশাপাশি গড়ে ওঠে মার্থা লিডস্ট্রিম নূরজাহান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও ওয়াটারগার্ডেন রিসোর্ট এবং স্পা সেন্টার। বিকল্প রাস্তা না থাকায় একই গেট আর রাস্তা দিয়েই চলছে গার্লস স্কুল ও বিনোদনকেন্দ্রের যাতায়াত। এ নিয়ে যেমন সৃষ্টি হয়েছে বিতর্ক, তেমনি রয়েছে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হওয়ার শঙ্কা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৯৯২ সালে স্থানীয় প্রভাবশালী আখতার হামিদ মাসুদ, তার ছোট ভাই আহসান হাবিব এবং তাদের নরওয়ের নাগরিক এক বন্ধু মিলে প্রতিষ্ঠা করেন মার্থা লিডস্ট্রিম নূরজাহান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি। ২০২০ সালে স্কুলের প্রতিষ্ঠাতারাই এর পাশেই বিশাল জায়গা নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে ওই ওয়াটারগার্ডেন চালু করেন। তবে এর জন্য রাখা হয়নি পৃথক গেট বা রাস্তার ব্যবস্থা। ফলে একই গেট আর রাস্তা ব্যবহার করছেন বিনোদন প্রেমী নারী-পুরুষসহ স্কুলের ছাত্রীরা।

jagonews24

শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, স্কুলটিতে উপজেলার দাপনজোর ও আশপাশের গ্রামের প্রায় আড়াই শতাধিক কিশোরী লেখাপড়া করছে। পৃথক গেট আর রাস্তা না থাকায় স্কুল আর বিনোদন কেন্দ্রে সবাইকে এক গেট আর রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে। এ কারণে স্কুল ছাত্রীদের মানসিক অবক্ষয় হচ্ছে। এছাড়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটারও আশঙ্কা আছে। ফলে চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছে স্কুলের শিক্ষার্থীরা। দ্রুত স্কুলের বাউন্ডারিসহ পৃথক গেট আর রাস্তা নির্মাণের দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে মার্থা লিডস্ট্রিম নূরজাহান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মানছুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, পরিবেশগত কারণ আর অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার শঙ্কায় আছি। এ কারণে দ্রুত স্কুলের বাউন্ডারি এবং পৃথক রাস্তা আর গেট নির্মাণের জন্য আলোচনা চলছে।

jagonews24

এ বিষয়ে ওয়াটারগার্ডেনের জেনারেল ম্যানেজার (ভারপ্রাপ্ত) মিজানুর রহমান মিজান জাগো নিউজকে বলেন, মালিক পক্ষ দেশের বাইরে আছেন। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তারা আসবেন। এ ব্যাপারে কথাও হয়েছে। তারা দেশে আসলেই স্কুলের জন্য পৃথক গেট আর রাস্তার ব্যবস্থা করা হবে।

বিষয়টি দৃষ্টিকটু ও অশোভনীয় দাবি করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গণি।

আরিফ উর রহমান টগর/এসজে/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]