১৪ শিক্ষার্থীর চুল কাটার ঘটনা তদন্তে ইউজিসির প্রতিনিধি দল

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি সিরাজগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৩:৩০ পিএম, ২৭ অক্টোবর ২০২১

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেওয়ার ঘটনা তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে পৌঁছেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) একটি প্রতিনিধি দল। তারা এরই মধ্যে তদন্ত শুরু করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছেন অভিযুক্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনও।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রতিনিধি দল ও তার পরপরই অভিযুক্ত শিক্ষিকা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রধান ও রবীন্দ্র অধ্যায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান লায়লা ফেরদৌস হিমেল এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ইউজিসির সদস্য প্রফেসর দীল আফরোজার নেতৃত্বে তদন্ত কমিটির বাকি দুই সদস্য হলেন ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগের পরিচালক জামিলুর রহমান এবং সহকারী পরিচালক আবু ইউসুফ হীরা।

এদের মধ্যে দুজন ক্যাম্পাসে এলেও তদন্ত কমিটির প্রধান প্রফেসর দীল আফরোজা ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন বলে জানিয়েছেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. সোহরাব আলী।

jagonews24

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ইউজিসির প্রতিনিধি দলটি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী, অভিযুক্ত শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া চার সদস্যের প্রতিনিধি দল, তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভাগীয় চেয়ারম্যান ছাড়াও রবীন্দ্র অধ্যায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান লায়লা ফেরদৌস হিমেলের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের গঠিত পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির সঙ্গে কথা বলবেন।

রবীন্দ্র অধ্যায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান লায়লা ফেরদৌস হিমেল বলেন, ইউজিসির তিন সদস্যের তদন্ত কমিটির একটি প্রতিনিধি দল আসার কথা থাকলেও দুজন এসেছেন ও তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছেন। এছাড়া অভিযুক্ত শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনও বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছেন। তবে প্রতিনিধি দলের তদন্ত কার্যক্রম আজই শেষ হবে কি না, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কিছু বলা যাচ্ছে না।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. সোহরাব আলী বলেন, ইউজিসির প্রতিনিধি দল এসে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। আজই এ তদন্তের জন্য নির্ধারিত দিন। তদন্ত কার্যক্রম আজ শেষ হবে কি না বলা যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিযুক্ত শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন বাতেন ও ভারপ্রাপ্ত ভিসি ট্রেজারার আব্দুল লতিফের মোবাইলে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।

ইউসুফ দেওয়ান রাজু/এসআর/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]