আটকের পর জানা গেলো তারা জলদস্যুর কবলে পড়া জেলে

উপজেলা প্রতিনিধি উপজেলা প্রতিনিধি কলাপাড়া (পটুয়াখালী)
প্রকাশিত: ০৭:৫৬ পিএম, ২৪ নভেম্বর ২০২১

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ডাকাত সন্দেহ সাত ব্যক্তিকে মারধরের পর পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয় জেলেরা।

বুধবার (২৪ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে সাগর থেকে নামবিহীন একটি ট্রলার থেকে আটকের পর তাদের পুলিশে দেওয়া হয়। পরে পুলিশ জানতে পারে তারা জলদস্যুর কবলে পড়া জেলে।

আটকরা হলেন- বরগুনার হাড়িটানার নেছার খান (৪০), তাফালবাড়িয়ার কামাল আকন (৩৫), জামাল (৩২), পিরোজপুরের গোলবাতির হেলাল ফকির (২১), চরখালীর জাহাঙ্গীর হোসেন (৪৫), বাগের হাটের রাজাপুরের লোকমান খান (৬২) ও নলবুনিয়ার জাকির খান (৩৮)।

কুয়াকাটা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রাজিব মন্ডল জাগো নিউজকে বলেন, সাগরে ডাকাতের একটি ট্রলার দেখা যাচ্ছে এমন খবরে একটি টিম নিয়ে আমি কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি সাতজনকে ডাকাত সন্দেহে আটক করে রাখেন স্থানীয় জেলেরা। পরে আমরা জানতে পারি তারা জেলে। জলদস্যুর হাতে মারধরের শিকার হয়েছেন তারা। আজও ডাকাত সন্দেহে তাদের মারধর করেন স্থানীয় জেলেরা।

jagonews24

তিনি আরও বলেন, এদের মধ্যে একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা আমাদের হেফাজতে আছে। এ সাতজন বিভিন্ন জায়গার বিভিন্ন ট্রলারের। ধারণা করা হচ্ছে জলদস্যুরা মুক্তিপণ নিয়ে মঙ্গলবার তাদের একটি ট্রলারে উঠিয়ে দেয়। তাদের ব্যাপারে খোঁজ-খবর নিচ্ছি। সঠিক তথ্য পাওয়ার পর আইনানুসারে ব্যবস্থা নিবো।

বরগুনা জেলা ফিসিং বোড মালিক সমিতির সভাপতি মোস্তফা চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, বরগুনার তিন জেলে নৌ-পুলিশের কাছে আছেন এমন খবরে সেখানে যাই। ২০ নভেম্বর তাদের গভীর সমুদ্র থেকে জলদস্যুরা নিয়ে যায়। মঙ্গলবার তাদের পরিবার থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে কয়েক লাখ টাকা নেওয়া হয়।

১৬ ও ২০ নভেম্বর দুদফায় বরগুনার পাথরঘাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলেদের ট্রলারে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। দস্যুদের গুলিতে এক জেলেও নিহত হন আহত হন অনেকে। লুট করে নিয়ে যায় মাছসহ জেলেদের বিভিন্ন মালামাল।

আসাদুজ্জামান মিরাজ/এসজে/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]