‘বিপদ’ কাটিয়ে আবারও সমুদ্রপথে জেলেরা

উপজেলা প্রতিনিধি উপজেলা প্রতিনিধি কলাপাড়া (পটুয়াখালী)
প্রকাশিত: ০৮:৫৩ পিএম, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাব কাটিয়ে তিনদিন পর মাছ ধরার উদ্দেশ্যে ট্রলার নিয়ে আবারও গভীর সমুদ্রে রওয়ানা হয়েছেন কয়েকশ জেলে।

মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) বিকেল থেকেই পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার আলীপুর ও মহিপুর ঘাট থেকে জেলেরা মাছ শিকারের জন্য গভীর সমুদ্রে পাড়ি জমান। আবার উপকূলীয় জেলেরা ছোট ছোট নৌকা নিয়ে বেরিয়ে পড়েন সমুদ্রের গভীরে রেখে আসা মাছ ধরার জালের সন্ধানে।

আলীপুর মৎস্য ঘাটের জেলে নুরুজ্জামান বলেন, আবহাওয়া খারাপের সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘাটে চলে আসি। তিনদিন পরে আবার বের হচ্ছি। এ বন্দর থেকে কয়েকশ ট্রলার আজকে মাছ ধরার জন্য গভীর সমুদ্রে যাচ্ছে।

jagonews24

কুয়াকাটা জেলেপল্লীর জেলে হাবিব বলেন, আবহাওয়া খারাপ থাকায় তিনদিন সাগরে যাইনি। আজকে সকালে গেলাম। কিন্তু গিয়ে দেখি অনেক জাল ছিঁড়ে গেছে, নষ্ট হয়ে গেছে। আবহাওয়া খারাপ হলে আমাদের একদিকে আয়ের পথ বন্ধ থাকে, অন্যদিকে মালামালের অনেক ক্ষতি হয়।

দেশের দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’ এ পরিণত হলে তিনদিন আগে সমুদ্র বন্দরে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সঙ্গে সঙ্গে সমুদ্রে অবস্থানরত সব মাছ ধরার ট্রলার, নৌযানকে নিরাপদ আশ্রয় থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর ঘূর্ণিঝড় দুর্বল হয়ে যাওয়ায় সতর্ক সংকেত তুলে নেওয়া হয়।

jagonews24

কুয়াকাটা-আলীপুর মৎস্য আড়তদার সমবায় সমিতির সভাপতি আনসার উদ্দিন মোল্লা জাগো নিউজকে বলেন, ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের ঘোষণার সঙ্গে আমাদের ঘাটে স্থানীয়, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ভোলা, কুতুবদিয়াসহ বিভিন্ন জায়গার কয়েকশ ট্রলার আশ্রয় নিয়েছিল। আজ সতর্ক সংকেত উঠিয়ে নেওয়ার পর ট্রলারগুলো তাদের প্রস্তুতি সেরে সমুদ্রের দিকে যাচ্ছে।

পটুয়াখালী আবহাওয়া অধিদপ্তরের ইনচার্জ মাসুদ রানা জাগো নিউজকে বলেন, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় দমকা ও ঝড় হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। আজ দুপুরের পর চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা বন্দর থেকে সতর্ক সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে।

আসাদুজ্জামান মিরাজ/এসজে/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]