ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গায়ে বল লাগায় এতিমখানায় হামলা, আহত ৩১

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রকাশিত: ০৮:০৭ পিএম, ১৩ জানুয়ারি ২০২২
আহত শিশুদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খেলাধুলার এক পর্যায়ে স্থানীয় এক ছেলের গায়ে বল লাগাকে কেন্দ্র করে একটি এতিমখানায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে এতিমখানার অন্তত ৩১ জন শিশু আহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে জেলা শহরের কলেজপাড়ায় মদিনাতুল তাহফিজ একাডেমি ও এতিমখানায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত শিশুদের উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়েছে। হামলার সময় এতিমখানায় লুটপাটও করা হয় বলে অভিযোগ করেছে কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।

আহতরা হলো-সালমান ফারসি (৯), নাদিম (১০), ওসমান (১০), সামাউন (১০), আব্দুলাহ (১৩), জাকারিয়া (৯), ইব্রাহিম (১৫), সাইদুল ইসলাম (১১), ফরহাদ (৯), মুজাম্মেল (১৪), জাহিদ (১৩), জুনায়েদ (১৩), ইয়ামিন (৯), ইসমাইল (১১), আমির হামজা (১২), ওমর ফারুক (১০), আসাদ উল্লাহ (১২), রিফাত (১৩), ওয়াসিম (১২), সিয়াম (১৩), ফজলে রাব্বী (১৪), সালমান (১৭), তোফাজ্জল (১৩), রেদুয়ান (১০), মোবারক (১৪), সালমান ফারসি (১৬), আকিব (৮), তানভীর (১৪), সিয়াম (১৪), আশরাফুল (১০) ও রাকিব (১০)।

মদিনাতুল তাহফিজ একাডেমি ও এতিমখানার পরিচালক হাফেজ ইমরান জানান, এতিমখানার পাশে খালি জায়গায় খেলাধুলা করছিল শিশুরা। এসময় ক্রিকেট খেলার বল স্থানীয় এক ছেলের গায়ে লাগে। এনিয়ে বাগবিতণ্ডা হয়। শিশুরা মাগরিবের নামাজের আগে ফিরে এসে ওজু করে নামাজের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এসময় দলবেঁধে স্থানীয় নারী-পুরুষরা এতিমখানায় হামলা করে শিশুদের পিটিয়ে আহত করেন। পাশাপাশি তারা শিশুদের খাবারসহ মালামাল লুট করে নিয়ে যান।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমরানুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা হাসপাতালে এসেছি। শিশুদের চিকিৎসা শেষে মাদরাসায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় ফয়সাল (৩৫) ও জাহিদুল ইসলাম (৩২) নামের দুজনকে আটক করা হয়েছে।

আবুল হাসনাত মো. রাফি/এসআর/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।