৪০ বছরেও একটি ভবন পায়নি কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি শরীয়তপুর
প্রকাশিত: ১২:৪১ পিএম, ২৩ জানুয়ারি ২০২২

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের কোনো ভবন নেই। এতে পরিষদ থেকে সেবা পেতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ইউনিয়নবাসী।

উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নড়িয়া উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম চলছে এক ইউপি সদস্যের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের একটি কক্ষে। কেদারপুর ইউনিয়ন সৃষ্টির পর থেকে প্রায় ৪০ বছর যাবত নেই পরিষদের কোনো ভবন। এছাড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ও ২ নম্বর ওয়ার্ড পদ্মা নদীতে বিলীন হওয়ায় একযুগ যাবত নেই ইউপি চেয়ারম্যান। মেম্বার দিয়ে চলছে পরিষদের ঢিলেঢালা কার্যক্রম।

একযুগ পর গত ৫ জানুয়ারি কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন মিহির চক্রবর্তী। তিনি নড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানের শপথ গ্রহণ এখনো হয়নি।

নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মিহির চক্রবর্তী বলেন, দীর্ঘ একযুগ পর কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। ১২ বছর যেহেতু নির্বাচন হয়নি, তাই ইউনিয়নটি উন্নয়নের দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়েছে। ইউনিয়নবাসীর ইচ্ছা আকাঙ্ক্ষা অনেক। ইউনিয়নটিতে ৯টি ওয়ার্ড রয়েছে। সকলের সহযোগিতা নিয়ে একটি সেবামূলক ইউনিয়ন উপহার দিতে চাই।

তিনি বলেন, যেহেতে ৪০ বছর যাবত আমাদের কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নেই। ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের জন্য সরকার অর্থ বরাদ্দ করে থাকে এবং জমিটা জনগণকে দিতে হয়।

শাহিন ছৈয়াল, মো. শাহজাহান ব্যাপারী, শাহারা বেগমসহ কেদারপুর ইউনিয়নের অনেক বাসিন্দা জানান, ৪০ বছর যাবত তাদের ইউনিয়নে পরিষদ ভবন নেই। একযুগ চেয়ারম্যান ছিল না। যেকোনো সেবা পেতে ইউপি সদস্যের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যেতে হয়। পরিচয়পত্র, ভিজিডির চাল, ভিজিএফের চাল, কৃষিবিষয়ক পরামর্শ ও অন্যান্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা পেতে তাদের হয়রানির শিকার হতে হয়। একটি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের দাবি তাদের।

নড়িয়া উপজেলা প্রকৌশলী মো. শাহাবুদ্দীন খান জাগো নিউজকে বলেন, নড়িয়া উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন পরিষদের ভবন করার জায়গা নেই। তাই জায়গা ও ভবনের প্রস্তাবনা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। খুব শিগগিরই কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভবনের ব্যবস্থা করা হবে।

ছগির হোসেন/এফএ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]