হিলিতে চাহিদা নেই ভারতীয় পেঁয়াজের

উপজেলা প্রতিনিধি উপজেলা প্রতিনিধি হিলি (দিনাজপুর)
প্রকাশিত: ০৪:১৭ পিএম, ২৪ জানুয়ারি ২০২২
ট্রাক থেকে পেঁয়াজ নামাচ্ছেন এক শ্রমিক

দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কমেছে আমদানি। কয়েক দিন আগেও এ বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ২৫-৩০ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হয়। বর্তমানে এর সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৩-৪ ট্রাকে। চাহিদা কমে যাওয়ার পাশাপাশি বাজারে দেশী পেঁয়াজের দাম কমায় আমদানি কমেছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

স্থলবন্দর এলাকার পাইকারি ও স্থানীয় খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি ভারতীয় নাসিক জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৩৬ টাকা ও ইন্দুর জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৩-২৪ টাকায়। অন্যদিকে দেশী মুড়ি কাটা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২২ টাকা কেজি দরে।

হিলি কাস্টমসের তথ্যমতে, গেলো সপ্তাহে স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৩৭ ট্রাকে এক হাজার ১৯ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। চলতি সপ্তাহের দুই কর্ম দিবসে মাত্র ৯ ট্রাকে ২৪০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক মো. বাবু জানান, দেশের বাজারে মুড়ি কাটা পেঁয়াজের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। দামও অনেক কম। যে কারণে ভারত থেকে বেশি দামে পেঁয়াজ কিনে বাজারে বিক্রি করতে চাইলে ক্রেতারা নিচ্ছেন না। চাহিদা না থাকায় লোকসানের ভয়ে কম পরিমাণ আমদানি করছি।

হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকার আইয়ুব আলী বলেন, বেশি দামে আমদানি করা পেঁয়াজ কিনে বাজারে বিক্রি করতে গেলে আমাদের লোকসান গুনতে হবে তাই পেঁয়াজ না কিনে আমি ঘুরে যাচ্ছি।

হিলি বাজারের খুচরা বিক্রেতা রাইহান বলেন, বাজারে আমদানিকৃত ও দেশী পেঁয়াজ দুটোর সরবরাহ রয়েছে। তবে দেশী পেঁয়াজের মান ভালো ও দাম কম থাকায় এ পেঁয়াজের বেচা-কেনা একটু বেশি।

মো. মাহাবুর রহমান/আরএইচ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]