কাদের মির্জার ‘হুমকিতে’ সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কিত ভাগনে

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নোয়াখালী
প্রকাশিত: ০৩:৩০ এএম, ২৬ জানুয়ারি ২০২২

সপ্তম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ পরিবেশ নিয়ে শঙ্কিত সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভা মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ভাগনে মাহবুবুর রশিদ মঞ্জু।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে জাগো নিউজকে তিনি এ শঙ্কার কথা জানান। মাহবুবুর রশিদ মঞ্জু কোম্পানীগঞ্জের ২ নম্বর চরপার্বতী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আনারস প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করছেন।

তিনি দাবি করেন, ‘কাদের মির্জা পুলিশ পাহারায় বিভিন্ন এলাকায় হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। বিশেষ করে সংখ্যালঘু এলাকায় তার (কাদের মির্জার) অনুগত প্রার্থীদের ভোট না দিলে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন।’

মঞ্জু বলেন, ‘এলাকায় ভোটারদের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। দলীয় প্রতীক না থাকা ও অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের কথা বলায় নির্বাচনের মাঠ জমে উঠেছে। কিন্তু কিছু কিছু জায়গায় আতংক বিরাজ করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘অতীতের চেয়ারম্যানরা যা পারেননি আমি তা করে দেখাতে চাই। সেটা হচ্ছে পরিবেশবান্ধব, শিক্ষাবান্ধব, মাদকমুক্ত একটি সুন্দর চরপার্বতী ইউনিয়ন উপহার দেওয়া।’

মাহবুবুর রশিদ মঞ্জু উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র ও কাদের মির্জা ঘোরতর প্রতিপক্ষ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারী।

বিগত এক বছর কোম্পানীগঞ্জে কাদের মির্জার সঙ্গে উপজেলা আওয়ামী লীগের বিবদমান সংঘাতের ফলে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রতীক না দিয়ে উন্মুক্ত নির্বাচনের ঘোষণা দেয়।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি কোম্পানীগঞ্জের আট ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগ সমর্থিত আটজন ও কাদের মির্জা সমর্থিত আটজন ছাড়াও বেশ কয়েকজন প্রবাসীও প্রার্থী হয়েছেন।

ইকবাল হোসেন মজনু/এআরএ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]