১১ বছরেও কাজে আসেনি সেতুটি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি সিরাজগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৭:৫৭ পিএম, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২২

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার নলকা ইউনিয়নের এরান্দহ কারিগরপাড়া রশিদ মাস্টারের বাড়ি থেকে পশ্চিম দিকে তিননান্দিনা যাওয়ার নতুন রাস্তায় এরান্দহ-বোয়ালিয়া বিলের ওপর রয়েছে একটি সেতু। কিন্তু সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নেই। বন্যায় মাটি নেমে গেছে। এজন্য সেতুটি কোনো কাজেই আসছে না এলাকাবাসীর।

প্রায় এক যুগ আগে নির্মাণ করা হয়েছে সেতুটি। সম্প্রতি সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, সেতুর পূর্ব পাশ নিচ থেকে প্রায় ছয় ফুট উঁচু কিন্তু মাটি নেই। পশ্চিম পাশে তিন ফুট উঁচু কিন্তু যাতায়াতের সুযোগ নেই। সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে না। সেতুর পাশে খালের মধ্য দিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় তিননান্দিনা রশিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এনামুল হক সরকার বলেন, লাখ লাখ টাকা খরচ করে সেতুটি নির্মাণ করা হলেও সেতুর দুপাশে মাটিসহ সংযোগ সড়ক না থাকায় কাজে আসছে না।

সেতুর পশ্চিম পাশের জমিদাতা এরান্দহ গ্রামের সোরাপ আলীসহ কয়েকজন জানান, এখানে কোনো সরকারি সড়ক নেই। জমির আইল দিয়ে জনগণ চলাচল করতো। পরে সেতুটি নির্মাণ হলেও যাতায়াতের জন্য কেউ জমি দিতে চান না।

jagonews24

স্থানীয়রা জানান, তিননান্দিনা ও রামপুর গ্রামটি নদীবেষ্টিত। এলাকার আবাদি শস্য, ভারী মালামাল হাট-বাজারে নিতে নদী পারাপার হতে হয়। এতে একদিকে সময় অপচয় অন্যদিকে ঝুঁকি থেকে যায়। মুমূর্ষু রোগীকে হাসপাতাল ও ক্লিনিকে নিতে তিননান্দিনা-নলছিয়ার খেয়াঘাটে নৌকার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। এই অবস্থায় সেতুটি ব্যবহার উপযোগী করতে দুই পাশে সড়ক করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে নলকা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘দুই গ্রামের মানুষের যাতায়াতের জন্য ২০১১ সালে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। সেতুটি নির্মাণ হলেও কিছু জটিলতায় এর দুপাশে সড়ক করা সম্ভব হয়নি। সড়ক না হওয়ায় সেতুটি অকেজো হয়ে আছে। আমার ইচ্ছা আছে সবার সহযোগিতা নিয়ে সেতুর দুপাশে রাস্তা নির্মাণ করবো।’

রায়গঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আতিকুল ইসলাম জানান, এ সড়কের আংশিক নির্মাণ করা হয়েছে। অবশিষ্ট অংশ নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে।

এসআর/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।