ঘুম নেই দর্জিপাড়ার শ্রমিকদের

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি বাগেরহাট
প্রকাশিত: ০৭:১৬ পিএম, ২৫ এপ্রিল ২০২২
ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা

ক’দিন বাদেই পবিত্র ঈদুল ফিতর। বাগেরহাটের দর্জিপাড়ায় ঘুম নেই কারিগরদের। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে দিন-রাত একটানা কাজ করছেন দোকানমালিক-কারিগররা।

সরেজমিনে দেখা যায়, পোশাক তৈরির দোকানগুলোতে ভিড় ক্রেতাদের। তৈরি করা পোশাক বুঝিয়ে দিতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন দোকানিরা। এবার মজুরি বাড়ায় কারিগররা খুশি হলেও ভোগান্তিতে পড়েছেন ক্রেতারা। অন্যান্য সময় ২০ রমজান পর্যন্ত অর্ডার নিলেও এবার ১০-১২ রমজানের মধ্যে অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা বলেছেন, পোশাক ভেদে ৩০-৫০ টাকা বেড়েছে মজুরিতে। এতে করে ক্রেতাদের কাছ থেকেও বেশি টাকা নিতে হচ্ছে। গত দু’ বছর করোনায় কাজ কম হলেও এবার বেড়েছে কয়েকগুণ। করোনার ক্ষতি এবার পুষিয়ে নিতে পারবো।

jagonews24

কল্পনা আক্তার নামের এক নারী বলেন, ফিটিংয়ের জন্য এখানে আসা হয়। আমি রেডিমেড পোশাক ক্রয় করলেও ফিটিংয়ের জন্য দর্জির কাছে আসা লাগে। ডিজাইন দিলে সে অনুযায়ী দিতে পারে। এজন্য আমি সেলাই করা জামা বেশি পড়ি।

শহরের বৈশাখী টেইলার্সের মালিক পরিতোষ কুমার সাহা জানান, এ বছর শার্ট-প্যান্টের চাহিদা বেশি। দোকান থেকে কাপড় কাটার পর তা সেলাইয়ের জন্য পাঠিয়ে দেয়া হয় কারখানায়। শ্রমিকদের সহায়তায় চেষ্টা করছি যথা সময়ে কাস্টমারদের তৈরি পোশাকগুলো দিতে।

jagonews24

শুভ টেইলার্সের মালিক সঞ্জিব বিশ্বাস জানান, কারিগররা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের চোখে ঘুম নেই বললেই চলে। তারপরও সময় মত কাজ ডেলিভারি দিতে খুব কষ্ট হচ্ছে।

সাধনা টেইলার্সের অধির কুমার পাল জানান, শেষ মুহূর্তে এসে অর্ডার বেশি হয়। তবে অন্য বছরের তুলনায় টেইলার্সে ব্যবহৃত সামগ্রীর দাম ও শ্রমিকের মজুরি অনেক বেড়ে গেছে। তাই পোশাক তৈরিতে মজুরি না বাড়িয়ে উপায় নেই।

আরএইচ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।