নড়াইলে স্কুল-কলেজে শিক্ষার্থীদের কাছে মোবাইল পেলেই শাস্তি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নড়াইল
প্রকাশিত: ০১:১৫ পিএম, ০২ জুলাই ২০২২

অডিও শুনুন

নড়াইলের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মোবাইল আনা বন্ধে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এরপরও কোনো শিক্ষার্থীর কাছে মোবাইল পাওয়া গেলে, তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম ছায়েদুর রহমান জেলার সব স্কুল-কলেজের প্রধানদের এমন নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন।

চিঠিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ব্যবহারে নিষেধ থাকা সত্ত্বেও এর ব্যবহার বাড়ায় উদ্বেগ জানানো হয়। একই সঙ্গে ঈদুল আজহার ছুটির পর নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে অভিভাবক সমাবেশ করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

ওই চিঠিতে গত ২৮ জুনের স্বাক্ষর থাকলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছে বৃহস্পতিবার (৩০ জুন)। চিঠি পাওয়ার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানরাও প্রতিষ্ঠানে এ কড়াকড়ি আরোপের বিষয়টি নোটিশ দিয়ে শিক্ষার্থীগের অবগত করেছেন।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি নড়াইলের ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ও মির্জাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির দুই শিক্ষার্থী ফেসবুকে উত্তেজনাকর পোস্ট দিয়েছে। ফলে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এজন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহার বন্ধে চারটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক এবং মাদরাসা প্রধানদের এসব নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। এ আদেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা ও শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনকালে নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবেন। পরিদর্শনকালে কোনো শিক্ষার্থীর কাছে মোবাইল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মোবাইল আনা বন্ধে চার নির্দেশনা
>> মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদরাসায় দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোবাইল ফোন আনতে পারবে না।

>> মোবাইল না আনার নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষকদের তৎপর থাকতে হবে। প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের ব্যাগ চেক করতে পারবে।

>> কোনো শিক্ষার্থীর কাছে মোবাইল পাওয়া গেলে, তা নিয়ে নেওয়াসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

>> মোবাইল ব্যবহার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে না আনার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য ঈদের ছুটির পর নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে অভিভাবক সমাবেশের আয়োজন করতে হবে।

হাফিজুল নিলু/জেএস/এএএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]