শুকিয়ে গেছে খাল-বিলের পানি, দিনাজপুরে চলছে মাছ ধরার ধুম

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি দিনাজপুর
প্রকাশিত: ০৩:৩৪ পিএম, ১৭ জুলাই ২০২২
জলাশয়ের পানি সেচ দিয়ে ধরা হচ্ছে মাছ

বর্ষা মৌসুমে দিনাজপুরের ১৯ নদী আর ৭৫ বিল পানিতে টইটম্বুর থাকে। তবে এবার শ্রাবণেই তেমন একটা বৃষ্টির দেখা মেলেনি। প্রখর রোদে শুকিয়ে গেছে খাল-বিল, জলাশয় ও নিচু জমিতে থাকা পানি। ফলে জেলার ১৩ উপজেলায় চলছে মাছ ধরার ধুম। বিশেষ করে রাস্তার ধারে জলাশয়গুলোতে দেখা যাচ্ছে মাছ ধরার দৃশ্য।

ছোট-বড় সবাই মিলে শুকিয়ে যাওয়া খাল-বিল, জলাশয় ও জমি থেকে ধরছেন দেশি প্রজাতির বিভিন্ন মাছ। রাত জেগে পাম্প দিয়ে পানি সেচের পর সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মাছ ধরা হচ্ছে। বেশিরভাগই ধরা পড়ছে ছোট ও ডিম ওয়ালা দেশি মাছ। বড় মাছ খুব একটা পাওয়া যাচ্ছে না।

di-(4)

বিরল উপজেলার ফরক্কাবাদ ইউনিয়নে দেখা যায়, শুকিয়ে যাওয়া ক্ষেতের জমি, নয়নজলি খাল ও বিলে নারী, পুরুষ ও শিশুরা হাতে জাল নিয়ে মাছ ধরছেন। কেউবা কাদার মধ্য থেকে মাছ ধরছেন। কেউবা আবাদি জমির ধারে খাদের পানিতে জড় হওয়া মাছ ধরছেন।

দেওয়ান দিঘী গ্রামের মোসলেম উদ্দিন ও মানিক ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘সারারাত জেগে পানি সেচের পর সকাল থেকে মাছ ধরতে শুরু করেছি। দুপুর পর্যন্ত ১০ কেজির মতো মাছ পেয়েছি। পুঁটি, মলা ও টাকি, টেংরা শোল, কই, গচি, তেলাপিয়া মাছ সবচেয়ে বেশি পাওয়া যাচ্ছে।’

di-(4)

তেঘরা গ্রামের বাবু ও দুলাল মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, ‘বাড়ির পাশে রাস্তার ধারে ডোবায় পানি জমেছিল। এখন পানি প্রায় শুকিয়ে যাওয়ায় মাছ ধরছি। পাঁচ কেজির মতো মাছ পেয়েছি। মাছগুলো গড়ে ১ হাজার ৫০০ টাকায় টাকায় বিক্রি করেছি।’

di-(4)

মাছ ক্রেতা জসিম উদ্দিন বলেন, এক কেজি মাগুর মাছ কিনেছি সাড়ে ৪০০ টাকায়। বাজারে অনেক দাম। সেগুলো চাষ করা। এ মাছ গুলো দেশি জাতের।

এমদাদুল হক মিলন/এসজে/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।