বিজিবির সঙ্গে রেল পুলিশের হাতাহাতির ঘটনা তদন্তে কমিটি
যশোরের বেনাপোলে ভারত থেকে আসা ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’ ট্রেনে তল্লাশি চালানোর সময় ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে বিজিবির সঙ্গে জিআরপি পুলিশের হাতাহাতির ঘটনায় তিন সদস্যের কমিটি করা হয়েছে।
সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় খুলনা বিভাগীয় রেল পুলিশ সুপার রবিউল হোসেন বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, রেল পুলিশের এএসপি মজনুর রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
রেলওয়ে পুলিশ জানায়, ভারতের চিৎপুর রেলস্টেশন থেকে ছেড়ে আসা ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি রোববার সকাল ১০টা ৫ মিনিটে বেনাপোল স্টেশনে পৌঁছায়। ট্রেনটি স্টেশনে পৌঁছার পর বিজিবি সদস্যরা তল্লাশি চালানোর প্রস্তুতি নেয়। এ সময় রেল পুলিশের পক্ষ থেকে কাস্টমস কর্মকর্তা ছাড়া লাগেজ তল্লাশি করা যাবে না বলা হয়। এ সময় সাদা পোশাকে দাঁড়িয়ে মোবাইল ফোনে ছবি তুলছিলেন রেল পুলিশের সদস্য মনিরুল ইসলাম।
বিজিবি সদস্যরা তাকে মারধর করে গাড়িতে তুলে বেনাপোল বিজিবি ক্যাম্পে নিয়ে যায়। এ সময় তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে বিজিবি পুলিশের অন্য দুই সদস্যকেও মারধর করে। রাতে ১০টার দিকে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ বিজিবির হেফাজত থেকে মনিরুলকে নিয়ে আসে।
যশোর ৪৯ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল শাহেদ মিনহাজ ছিদ্দিকী বলেন, সাদা পোশাকে একজন বিজিবির তল্লাশির সময় ভিডিও ধারণ করছিল। তাকে নিষেধ করলেও কথা শোনেনি। তিনি রেল পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সদস্য পরিচয় দেন। এক পর্যায়ে তার আইডি কার্ড দেখাতে পারেনি। এ নিয়ে তুচ্ছ ঘটনা ঘটে। সেটি মীমাংসা হয়ে গেছে। পুলিশ তাদের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এটি তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়।
মো. জামাল হোসেন/এসজে/জেআইএম