ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতাকে পুলিশে দিলো জনতা
ফেনীর সোনাগাজীতে তরুণীকে (১৯) ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে গণপিটুনি দিয়ে মারুফ আলম ভূঁইয়া নামে (২৪) নামে এক ছাত্রলীগ নেতাকে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। তিনি উপজেলার বগাদানা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী ও বাদুরিয়া গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির ফখরুল আলম ভূঁইয়ার ছেলে।
এলাকাবাসী, পুলিশ, তরুণী ও তার পরিবারের সদস্যরা জানান, মারুফ আলম ভূঁইয়া একই গ্রামের এক তরুণীর সঙ্গে বিয়ের প্রলোভনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তাকে মোটরসাইকেলে নিয়ে ফেনী ও সোনাগাজীর বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাঘুরিও করেন। বুধবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে ওই তরুণী বাড়িতে একা আছেন জানতে পেরে সেখানে যান মারুফ। একপর্যায়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন তিনি।
বিষয়টি টের পেয়ে প্রতিবেশীরা এলাকাবাসীকে ডেকে এনে মারুফকে আটক করেন। এসময় স্থানীয়রা তরুণীর বক্তব্য শুনে তাকে বিয়ে করতে বললে মারুফ অস্বীকৃতি জানালে তাকে গণপিটুনি দিয়ে সন্ধ্যায় পুলিশে দেয়। পরে ওই তরুণী বাদী হয়ে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মারুফের বিরুদ্ধে রাতেই মামলা করেন।
তবে মারুফ ধর্ষণ চেষ্টার বিষয়টি অস্বীকার করে দাবি করেন, ওই তরুণীর বড় বোন তাকে ফোন দিয়ে ওই বাড়িতে ডেকে নেন। তাদের ঘরে গেলে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে মারধর করে পুলিশে দেয়। তিনি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী। ঘটনাটি ষড়যন্ত্রমূলক কী না তা বুঝতে পারছেন না।
সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ খালেদ হোসেন দাইয়্যান বলেন, স্থানীয় জনতা মারুফকে আটক করে পুলিশে দেয়। তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে পাঠানো হবে।
আবদুল্লাহ আল-মামুন/এমআরআর/এএসএম