বীর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ উদ্ধার, শরীরে আঘাতের চিহ্ন

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কুষ্টিয়া
প্রকাশিত: ০৮:৩৯ পিএম, ২০ নভেম্বর ২০২২
বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুল আলমের মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে সামছুল আলম (৭০) নামের এক বীর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২০ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার সদকী ইউনিয়নের দড়ি বাটিকামারা গ্রামের দ্বিতীয় স্ত্রী রেশমা খাতুন ওরফে নুপুরের (২৪) বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের নিয়ামত বাড়িয়া গ্রামের মৃত গোলাম সরোয়ারের ছেলে। তার মেয়ে মো. সারবিনা আলম অভিযোগ করে বলেন, ‘অর্থের লোভে মোটা অঙ্কের কাবিনের ফাঁদে ফেলে সামছুল আলমকে বিয়ে করেছিলেন রেশমা। বিয়ের পর থেকেই টাকার জন্য নিয়মিত বাবাকে মারধর করতেন তিনি। শনিবার রাতে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শরীরে একাধিক স্থানে আঘাতের চিহ্ন আছে। আমরা উপযুক্ত বিচার চাই।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘রেশমা খাতুন খারাপ প্রকৃতির ও লোভী নারী। তিনি বিভিন্ন সময় যুবকদের বাড়িতে ডেকে নিয়ে ফাঁদে ফেলে অর্থ হাতিয়ে নিতেন। তার স্বামী বীর মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়মিত মারধর করতেন।’

দ্বিতীয় স্ত্রী রেশমা খাতুনের দাবি, ‘আমার স্বামী প্যারালাইসিস রোগী ছিলেন। শনিবার দিনগত রাত ৩টার দিকে নিজ কক্ষে চেয়ার থেকে মেঝেতে পড়ে আহত হন। আজ সকাল ৯টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আমি তাকে মারিনি।’

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোহসীন হোসাইন জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিকেল ৫টার দিকে খবর পেয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। শরীরের কয়েকটি স্থানে সন্দেহজনক ক্ষত আছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।’

আল-মামুন সাগর/এসজে/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।