সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধ, ২০ দিন পর মৃত্যু

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নরসিংদী
প্রকাশিত: ০৫:১৯ পিএম, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২
ফাইল ছবি

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় দুপক্ষের সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধ হওয়ার ২০ দিন পর বাচ্চু হক (৪৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে ফেরার দুদিনের মাথায় শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার চরসুবুদ্ধি ইউনিয়নের আগারনগরে বোনের বাড়িতে তার মৃত্যু হয়। বাচ্চু হক রায়পুরা উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের গজারিয়াকান্দি গ্রামের মৃত শামসুল হকের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, গজারিয়াকান্দি গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান সদস্য খালেক মিয়া ও সাবেক সদস্য মো. শাহ আলমের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। চলতি বছরের ১৩ জুলাই দুই পক্ষের সংঘর্ষে মফিজ উদ্দিন (৫০) নামের এক ব্যক্তি মারা যান। তিনি ছিলেন শাহ আলমের পক্ষের সমর্থক।

এ ঘটনার পর থেকেই মামলা-হামলার ভয়ে খালেকের পক্ষের শতাধিক লোক গা ঢাকা দিয়েছিলেন। ১৯ নভেম্বর ভোরে খালেকের অর্ধশতাধিক সমর্থক এলাকায় ঢুকতে গেলে শাহ আলম পক্ষের সমর্থকরা তাদের বাধা দেন। এ সময় দুই পক্ষের লোকজন টেঁটাসহ দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলেই আজগর আলী (৫৫) নামে এক ব্যক্তি মারা যান। বাচ্চুসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।

রাজধানীর উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন বাচ্চুসহ পাঁচজন। গত বুধবার সন্ধ্যায় সেখান থেকে ফিরে উপজেলার চরসুবুদ্ধি ইউনিয়নের আগারনগরে বোনের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন তিনি। শুক্রবার সকালে তিনি মারা যান। বাচ্চু ও আজগর দুজনই খালেক মিয়ার সমর্থক ছিলেন।

শ্রীনগর ইউপির চেয়ারম্যান রিয়াজ মোর্শেদ খান বলেন, দুপক্ষের সংঘর্ষের ২০ দিন পর আজ টেঁটাবিদ্ধ বাচ্চু হকের মৃত্যু হয়েছে। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে এ পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু হলো।

নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রায়পুরা সার্কেল) সত্যজিৎ কুমার ঘোষ জাগো নিউজকে বলেন, বাচ্চু হকের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সঞ্জিত সাহা/এসজে/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।