দুর্ঘটনায় নিরাপত্তাকর্মী নিহত

ক্ষতিপূরণের আশ্বাসে ৪ ঘণ্টা পর মহাসড়ক ছাড়লেন পোশাক শ্রমিকরা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি গাজীপুর
প্রকাশিত: ০২:০৫ পিএম, ২২ জানুয়ারি ২০২৩

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ট্রাকচাপায় নিরাপত্তাকর্মী নিহতের ঘটনায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন পোশাক শ্রমিকরা। এ সময় গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন তারা। নিহতের ক্ষতিপূরণ ও ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের আশ্বাসে চার ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নেন শ্রমিকরা।

রোববার (২২ জানুয়ারি) ১২টা থেকে ওই মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা এলাকায় ট্রাকচাপায় পোশাক কারখানার নিরাপত্তাকর্মী নিহত হন। ঘটনার পর ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা ওই ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেন এবং অর্ধশতাধিক গাড়ি ভাঙচুর করেন। এক পর্যায়ে চন্দ্রা এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করেন তারা।

আরও পড়ুন: গাজীপুরে ট্রাকচাপায় কারখানার নিরাপত্তাকর্মী নিহত, মহাসড়ক অবরোধ

কারখানা শ্রমিকরা জানায়, চন্দ্রা মোড় থেকে হাফ কিলোমিটার পশ্চিমে পাশপাশি তিন-চারটি পোশাক তৈরি কারখানা আছে। এসব কারখানায় হাজার হাজার শ্রমিক কাজ করেন। কিন্তু মহাসড়ক অতিক্রমের জন্য সেখানে কোনো ফুটওভার ব্রিজ নেই। ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।

কোনাবাড়ি হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, খবর পেয়ে কালিয়াকৈর পৌরসভার মেয়র মজিবুর রহমান, কালিয়াকৈর থানার ওসি আকবর আলী খানসহ কারখানার কর্মকর্তারা শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন। শ্রমিকদের দাবি অনুযায়ী নিহতের পরিবারকে ৪ লাখ টাকা এবং যত দ্রুত সম্ভব ওই স্থানে শ্রমিক ও জনসাধারণের মহাসড়ক পারাপারে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। সেই সিদ্ধান্ত শ্রমিকরা মেনে নিয়ে মহাসড়কের অবরোধ প্রত্যাহার করেন।

আরও পড়ুন: গাজীপুরে হাজিরা বোনাসের দাবিতে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, গাড়ি ভাঙচুর

ওসি আরও বলেন, দুর্ঘটনার পর ওই ট্রাকের চালক কৌশলে পালিয়ে গেছেন। ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা ওই ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিলেন। স্থানীয় লোকজনের চেষ্টায় আগুন নেভানো হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।

আমিনুল ইসলাম/এসজে/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।