মহাসড়কের মাঝে বৈদ্যুতিক খুঁটি, দুর্ঘটনার শঙ্কা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ফেনী
প্রকাশিত: ০৬:৫৮ পিএম, ০৯ মার্চ ২০২৩

ফেনী-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কে চার লেন সড়কের প্রশস্তকরণের কাজ চলছে। এরমধ্যে ফেনী অংশের জায়লস্কর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের অংশে রয়েছে পাঁচটি বৈদ্যুতিক খুঁটি। এসব খুঁটি অপসারণ না হওয়ায় যেকোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সড়ক বিভাগের আওতায় ৭৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে মহিপাল থেকে নোয়াখালীর চৌমুহনী পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটারে নির্মিত হচ্ছে চার লেন সড়ক। এরমধ্যে ফেনী অংশের ১৭ কিলোমিটারের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। ২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত কাজের মেয়াদকাল বর্ধিত করা হয়। এজন্য বরাদ্দ রয়েছে ৩০৮ কোটি টাকা। নির্মাণকাজের দায়িত্ব পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং (এনডিই)।

ফেনী অংশে সড়কের দুই পাশে বিদ্যুতের ৯১১টি খুঁটি ছিল। এসব খুঁটি অপসারণের জন্য সাড়ে ৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রায় সবকটি সরানো হলেও জায়লস্কর এলাকার পাঁচটি খুঁটি সড়কেই রয়ে গেছে। খুঁটির দুই পাশ দিয়ে গাড়ি চলাচল করায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় সিদ্দিকুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘রাস্তার পশ্চিম অংশ বন্ধ করে সম্প্রসারণের কাজ চলছে। সিঙ্গেল লেনে খুঁটির দুই পাশ দিয়ে গাড়ি চলাচল করছে। না জানি কোন সময় খুঁটিতে গাড়ির আঘাত লাগে!’

মহাসড়কের মাঝে বৈদ্যুতিক খুঁটি, দুর্ঘটনার শঙ্কা

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বিনয় পাল বলেন, পাঁচটি খুঁটি অপসারণের জন্য সড়কের পাশে নিকটবর্তী স্থানে বিকল্প খুঁটি স্থাপন করা হয়েছে। খুব শিগগির সংশ্লিষ্টরা লাইন সরিয়ে নেবেন।

ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এজিএম (অপারেশন) আকাশ কুসুম বড়ুয়া বলেন, খুঁটিগুলো সরানোর কাজ প্রক্রিয়াধীন। সেখানে নতুন খুঁটি স্থাপন করা হলেও স্থানীয়দের বাধার মুখে বৈদ্যুতিক তার স্থানান্তর করা যায়নি।

এনডিইর পক্ষে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স তরী এন্টারপ্রাইজের পরিচালক মো. রাশেদুজ্জামান বলেন, চার লেন প্রকল্পের কাজ ৯৫ শতাংশ শেষ হয়েছে। পাঁচটি বৈদ্যুতিক খুঁটির বিষয়ে বিদ্যুৎ ও সড়ক বিভাগকে বেশ কয়েকবার লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। এগুলো না সরানোর কারণে কাজেও বেশ ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

আবদুল্লাহ আল-মামুন/এসআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।