একসময় দারিদ্র্য দেখাতে জাদুঘর নির্মাণ করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৮:৩৯ পিএম, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

দারিদ্র্য বিমোচনে বর্তমান সরকারের অবদান তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আমরা এমন পর্যায়ে যাবো সেখানে একসময় দারিদ্র্য দেখাতে জাদুঘর নির্মাণ করতে হবে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের বাচ্চাদের জন্য। প্রধানমন্ত্রী দারিদ্র্য ২২ শতাংশ থেকে নামিয়ে ৫ শতাংশে নিয়ে এসেছেন। নয়তো আমরা ভুলে যাবো আমরা একসময় হতদরিদ্র ছিলাম।

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইনসে আয়োজিত কমিউনিটি পুলিশিং সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, আমাদের এখন অনেকে অনেক কথা বলেন। আওয়ামী লীগ কখনো ষড়যন্ত্র, পেশিশক্তি, গান পাউডারে বিশ্বাস করে না। আওয়ামী লীগ জনগণকে বিশ্বাস করে। ২০০১ সালে জনগণ যাকে ভোট দিয়েছে তা চুপ করে মেনে নিয়েছি। এখন জনগণ যে রায় দেয় সেটা নিয়ে কত ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। ২০১৩-২০১৪ সালে কিভাবে গাড়ি পুড়িয়ে, আগুন সন্ত্রাস করে মানুষ পুড়িয়েছে! তারা এখন জনগণের সেবার কথা বলেন।’

একসময় দারিদ্র্য দেখাতে জাদুঘর নির্মাণ করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তিনি বলেন, “একসময় বাংলাদেশের পাসপোর্ট দেখলে বিদেশের বিমানবন্দরে বলতো, আস্তে যান। আর এখন আমাদের পাসপোর্ট দেখলে সমীহ করে সবাই। একসময় বাংলাদেশকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছিল। আজ উন্নয়নশীল দেশের রোল মডেল হিসেবে উদাহরণ দেওয়া হয় বাংলাদেশকে। বিদেশিরা আজ বলে, যদি দেশকে উন্নয়নশীল দেশে নিয়ে আসতে চাও তাহলে বাংলাদেশকে ফলো করো। এটাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান। এমন পরিবর্তন হয়েছে এ সরকারের অবদানে।”

দেশের মানুষ এখন নির্বাচনমুখী উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান খান বলেন, তারা ভোট দিতে মুখিয়ে আছেন। কারণ তারা জানেন, শেখ হাসিনার বিকল্প কেবলই শেখ হাসিনা।

পুলিশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আজ বাংলাদেশ পুলিশ জনগণের জন্য নিবেদিতপ্রাণ হয়ে হাজির হয়েছে। ১৫ বছর আগে মানুষ যেই পুলিশকে দেখেছে, এখন সেই পুলিশের চেহারা অনেক পাল্টে গেছে। আজ পুলিশ ৯৯৯ এর ফোনে মানুষের দুয়ারে পৌঁছে যাচ্ছে। বিদেশের মতো এমন সেবা বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশের নেতৃত্ব দেওয়ার ফলেই চালু করা সম্ভব হয়েছে।

মোবাশ্বির শ্রাবণ/এসআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।