পেকুয়ায় অপহৃত চেয়ারম্যান প্রার্থীকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ


প্রকাশিত: ০৩:২৫ পিএম, ৩০ মার্চ ২০১৬

পেকুয়ার টৈটং ইউপির আ. লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মো. শহিদুল্লাহ অপহৃত হয়েছেন। মঙ্গলবার প্রথম প্রহর সাড়ে ১২টার দিকে অজ্ঞাত সাদা পোশাকধারী একদল লোক তাকে টৈটং ইউনিয়নের জালিয়ার চাং নামক এলাকা থেকে তুলে নিয়ে গেছে বলে দাবি করেছে পরিবার।

তিনি নিখোঁজের একদিন অতিবাহিত হলেও (রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত) কোনো খোঁজ পায়নি প্রশাসন।
 
এ ঘটনায় বুধবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে পেকুয়া থানায় মামলা করেছেন নিখোঁজ প্রার্থীর স্ত্রী সেলিনা আকতার।

তিনি এজাহারে উল্লেখ করেছেন, ইউনিয়নের বনকানন স্টেশনে সর্বশেষ নির্বাচনী পথসভা শেষে সমর্থকসহ বাড়ি ফিরছিলেন শহিদুল্লাহ। এসময় অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা তাকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেছেন তার স্ত্রী সেলিনা আক্তার।

অপহৃতের সঙ্গে থাকা সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গোলাম মোস্তফার বরাত দিয়ে সেলিনা জানান, তিনটি গাড়িযোগে অন্তত ৩০ জনের বন্দুকধারী অপহরণকারীচক্র তাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মী করে তুলে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর ইন্ধন রয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনিসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করা হযেছে মামলায়।  

তবে পেকুয়া থানা পুলিশের ওসি জিয়া মো. মোস্তাফিজ ভুইয়া বলেছেন, চেয়ারম্যান প্রার্থী শহিদুল্লাহ নিখোঁজের ঘটনায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরো অনেককে অজ্ঞাত রেখে একটি এজাহার দায়ের করেছেন নিখোঁজের স্ত্রী (মামলা নং-৯)।  

আসামিরা হলেন, টইটং ইউননিয়নের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী একই ইউনিয়নের পন্ডিতপাড়া গ্রামের মৃত নুরুল ইসলাম চৌধুরীর (নাবালক মিয়া) ছেলে জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী ও তার ভাই মনিরুল ইসলাম চৌধুরী, মগনামা ইউনিয়নের কাজি মার্কেট এলাকার মঈনুল হকের ছেলে লিটন, ইউনিয়নের ঝুমপাড়া গ্রামের মো. হোছাইনের ছেলে আবদুল জলিল, একই ইউনিয়নের মধুহাজির পাড়া গ্রামের ছাবের আহমদের ছেলে আবুল কালাম। বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে দেখছেন বলে জানিয়েছেন ওসি।  

উল্লেখ্য, ৩১ মার্চ সকাল ৮টা থেকে দ্বিতীয় দফার ইউনয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে।  

সায়ীদ আলমগীর/এমএএস/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।