নির্বাচনী সহিংসতায় ভোলার ৪ উপজেলায় গুলিবিদ্ধ ২৫
ভোলার ৪টি উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন চলাকালে পুলিশের গুলিতে সাংবাদিকসহ ২৫ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
এসময় কমপক্ষে শতাধিক আহত হয়েছেন। আহতদের ভোলা হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে গুলিবিদ্ধ ও আহত সবার নাম জানা যায়নি। বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী এসব ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে গুলিবিদ্ধ সাংবাদিক আফজালের পা থেকে ৪টি গুলি বের করা হয়। জেলা সদরের রাজাপুর ইউনিয়নের ৪নং কেন্দ্রে দুই মেম্বার প্রার্থীও সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ তাদের তাড়া করে।
এসময় সাংবাদিকরা পুলিশের পাশে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন। হঠাৎ করেই কনস্টেবল জুলহাসের সটগান থেকে গুলি বের হয়ে সাংবাদিক আফজালের পায়ে লাগে। তাকে দ্রুত ভোলা হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়।
অপরদিকে রাজাপুর ইউনিয়নের ৬নং কেন্দ্রে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজানুর রহমান খা ও একই দলের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল হক মিঠু চৌধুরী কেন্দ্র এলাকায় অবস্থান নিলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এসময় দু’গ্রুপ লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি হলে পুলিশ, র্যাব ও রিজার্ভফোর্স গুলি ছোড়ে। এসময় গুলিবিদ্ধসহ আহন হন ৩০ জন।
অপরদিকে ইলিমা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড, ৫নং ওয়ার্ড কেন্দ্রে মেম্বার প্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ অন্তত ৩০ রাউন্ড গুলি ছুড়ে। এসময় আহত হন আরো ২০ জন।
এছাড়া চরফ্যাশন উপজেলার ওসমানগঞ্জ ইউনিয়নে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৫ জন। এসময় রিমা-১৫ নামের এক স্কুলছাত্রী গুরুতর আহত হয়। এদিকে রিমা মারা গেছে বলে এলাকায় গুজব ছড়িয়ে পড়েছে।
জেলায় প্রথম দফায় ৩৬টি ইউনিয়নের পর বৃহস্পতিবার সকালে থেকে দ্বিতীয় দফায় ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ভোলা সদরের ৩টি, লালমোহন উপজেলায় ২টি , চরফ্যাশন উপজেলায় ৫টি ও মনপুরা উপজেলায় ২টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
অমিতাভ অপু/এমএএস/আরআইপি