সুন্দরবন পশ্চিম বনবিভাগ নিয়ন্ত্রণ করছে দশ দস্যু বাহিনী
১ এপ্রিল থেকে সুন্দরবনে মধু আহরণ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে মৌয়ালরা বনে প্রবেশ করতে শুরু করেছে। তবে সুন্দরবনের পশ্চিম বনবিভাগ সাতক্ষীরা রেঞ্জ এলাকায় মৌয়ালদের মধু আহরণের আগ্রহ অনেকটাই কম।
জাগো নিউজের অনুসন্ধানে জানা যায়, সুন্দরবনের পশ্চিম বনবিভাগ নিয়ন্ত্রণ করছে ১০ দস্যু বাহনী। মধু আহরণের জন্য সুন্দরবনে প্রবেশ করতে গেলে আগে থেকেই বিকাশের মাধ্যমে প্রতি ১১ সদস্য মৌয়াল দলকে ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হয়। টাকা পরিশোধের পর দস্যু বাহিনী মৌয়াল দলকে একটি টোকেন পৌঁছে দেন। দস্যুদের নির্দেশনা মতে এই টোকেন থাকলেই কেবল বনের মধু আহরণ করা যাবে। না থাকলে অপহরণ করে টাকা আদায় বা হত্যার হুমকি দেয়া হয়।20160404063226.jpg)
এদিকে, সরকারকে রাজস্ব দিয়ে মধু আহরণকারী মৌয়ালদের নিরাপত্তার দায়িত্ব বন বিভাগের থাকলেও তারা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মৌয়ালরা। অন্যদিকে, কোস্টগার্ড, বিজিবি, নৌ-পুলিশ, র্যাব ও ফরেস্ট বাহিনী কোনোভাবেই বনদস্যুদের অপতৎপরতা বন্ধ করতে পারছে না।
সুন্দরবনের পশ্চিম বনবিভাগের ১০ বনদস্যু বাহিনীর মধ্যে আলীম, জোনাব, রবিউল বাহিনী শীর্ষে। প্রায়ই আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তাদের নিজেদের মধ্যেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এসব কথা স্বীকার করেই সুন্দরবন পশ্চিম বনবিভাগের বুড়িগোয়ালীনি বনস্টেশন কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা জাগো নিউজকে বলেন, বনদস্যু নির্মূল করা সম্ভব নয় তবে নিয়ন্ত্রণের জন্য চেষ্টা করছি। তাছাড়া মৌয়ালদের নিরাপত্তার বিষয়টিও আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।
এসএস/আরআইপি