১০-৩০ কাউন্টের সুতা আমদানি

বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের আদেশ বাতিলের আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: ০৪:০২ পিএম, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬

রপ্তানি কাঁচামালের একটি জরুরি পণ্য ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের আদেশ প্রত্যাহারে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) মেট্রোপলিটন চেম্বার সভাপতি খলিলুর রহমান প্রধান উপদেষ্টাকে এ বিষয়ে চিঠি দিয়েছেন।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি এখন টালমাটাল অবস্থায়। চলতি মাসের সমীক্ষায় দেশের রপ্তানি আদেশ বিগত সময়ের চেয়ে ১৪ শতাংশ কমে গেছে, যার প্রধান কারণ হচ্ছে দেশের আইনশৃঙ্খলার অবনতি, রপ্তানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং চট্টগ্রাম বন্দরে খরচ বৃদ্ধি। গত বছরের বিশ্ব ব্যাংকের রিপোর্ট অনুযায়ী চট্টগ্রাম বন্দর খরচ এশিয়ার সর্বোচ্চ এবং আমাদের প্রতিযোগী দেশ ভারত, ভিয়েতনামের তুলনায় আমদানি–রপ্তানি খরচ দ্বিগুণ। তার ওপর এ বছর আমাদের কাঁচামাল নামানোর খরচ প্রতি সিবিএম ডলার রেট হারে ৩০০ টাকা বৃদ্ধি করে ৬৬৫ টাকা করা, যা ১২১ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে। শ্রমিকের মজুরিও এই বছর অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, পোশাক রপ্তানির বৃহৎ বাজার যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির ওপর ৩৫ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধি হয়েছিল, যা পরে ২০ শতাংশে নামিয়ে আনায় আশান্বিত হয়েছিলাম। কিন্তু রপ্তানিকারকদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ১০–৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানির ওপর যে বন্ড সুবিধার ব্যবস্থা ছিল তা হঠাৎ প্রত্যাহার করেছে। এতে আমদানি খরচ আরও ৩১ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে বাংলাদেশ থেকে বিশাল আকারের নিট পোশাক রপ্তানি বন্ধ হবে। বেকার হবে লাখ লাখ শ্রমিক। অথচ যাদের প্ররোচনায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্বাচনের ১ মাস আগে এই সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে, এই সুতা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ১০–৩০ কাউন্টের সুতা উৎপাদন করে দেশের নিট রপ্তানিকারকদের চাহিদার মাত্র ১০ শতাংশ।

এমডিআইএইচ/এমআইএইচএস/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।